উদ্ধার হল বস্তা ভর্তি ৩০০টি কচ্ছপ, বেআইনি পাচার রুখল প্রশাসন

উদ্ধার হল বস্তা ভর্তি ৩০০টি কচ্ছপ, বেআইনি পাচার রুখল প্রশাসন
উদ্ধার হল বস্তা ভর্তি ৩০০টি কচ্ছপ, বেআইনি পাচার রুখল প্রশাসন

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  কচ্ছপ পাচার বা কচ্ছপের মাংস বিক্রি আইনত নিষিদ্ধ। অথচ এখনও প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে চলছে কচ্ছপ পাচার-চক্র। শুক্রবারই উত্তর ২৪ পরগনার হাবরা এলাকা থেকে প্রায় ৩০০টি কচ্ছপ উদ্ধার করল বন দফতর। এগুলি পাচারের উদ্দেশ্যেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে বারাসত বন দফতর সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ গাড়ি দুর্ঘটনায় জখম বলিউডের ‘টারজান’ হেমন্ত বিরজে, স্ত্রী সহ ভর্তি হাসপাতালে

বন দফতর সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে কচ্ছপ পাচারের খবর পেয়ে শুক্রবার ভোরে বারাসত বন দফতরের অধীনস্থ রথতলা রেঞ্জ অফিসের তরফে অভিযান চালানো হয়। রথতলা রেঞ্জ অফিসার ভাস্কর জ্যোতি পালের নেতৃত্বেই হাবরা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানেই বস্তাবন্দি ২৯২টি কচ্ছপ উদ্ধার হয়। আপাতত সেগুলি রথতলা এলাকায় বন দফতর অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে। এগুলি পাচারের উদ্দেশ্যেই কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে বন আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান।

বারাসত রথতলা রেঞ্জ অফিসের তরফ থেকে জানা যায়, ২৯২টি কচ্ছপ হাবরা এলাকায় একটি বস্তার মধ্যে রাখা ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এদিন ভোরে অভিযান চালিয়ে সেগুলি উদ্ধার করা হয়। কিন্তু কচ্ছপ ভর্তি বস্তার আশপাশে কেউ ছিল না। ফলে কাউকে ধরা যায়নি। তবে এগুলি পাচারের জন্যই কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তা একপ্রকার নিশ্চিত বনকর্তারা।

এত কচ্ছপ কোথা থেকে এল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সে ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে বারাসত বন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় কারা যুক্ত, তার খোঁজেও এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে। অন্যদিকে, কচ্ছপগুলি আপাতত বারাসত রথতলা রেঞ্জ অফিসেই রাখা হয়েছে। পর্যবেক্ষণের পর সেগুলি কোনও জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে বন দফতর সূত্রে জানা যায়।

উদ্ধার হল বস্তা ভর্তি ৩০০টি কচ্ছপ, বেআইনি পাচার রুখল প্রশাসন

উদ্ধার হল বস্তা ভর্তি ৩০০টি কচ্ছপ, বেআইনি পাচার রুখল প্রশাসন
উদ্ধার হল বস্তা ভর্তি ৩০০টি কচ্ছপ, বেআইনি পাচার রুখল প্রশাসন

কচ্ছপের মাংস খুবই জনপ্রিয়। একসময়ে খোলা বাজারে প্রকাশ্যে রমরমিয়ে বিক্রি হত কচ্ছপের মাংস। আবার অর্থের লোভে কচ্ছপ পাচারও হত। কিন্তু ইদানিংকালে কচ্ছপ প্রায় বিলুপ্ত হতে বসেছে। তাই বছর কয়েক আগেই কচ্ছপ ধরা বা কচ্ছপের মাংস বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। বর্তমানে কচ্ছপ ধরা বা কচ্ছপ বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয়। কিন্তু এখনও প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে অনেক জায়গাতেই কচ্ছপের মাংস বিক্রি হয়। বিশেষত, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বহু বাজারে গোপনে কচ্ছপের মাংস বিক্রি হয়।