নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুজোর কলকাতায় অশান্তির ছক। তিলোত্তমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২৭ জন কে গ্রেফতার করল পুলিশ! চতুর্থীর রাতে শহর কোলকাতার তারাতলায় একটি গাড়ি কে আটকায় পুলিশ। সেই গাড়ি থেকে অস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয় দুজন কে। সন্দেহভাজন গাড়িটির দিকে পুলিশ এগিয়ে গেলে গাড়িটি দ্রুত এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সাথে সাথেই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। কলকাতা পুলিশের দুটি গাড়ি দুদিক থেকে দুষ্কৃতীদের গাড়িটির পথ আটকে দেয়।
আরও পড়ুনঃ মতবিরোধ ও বিতর্ক দূরে সরিয়ে রাজ্যের “সাহসীদের কুর্নিশ” রাজ্যপালের
দুষ্কৃতীরা পুলিশের ওপর হামলা চালানর আগেই অস্ত্র সহ তাঁদের পাকড়াও করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর ধৃত দুই দুষ্কৃতীর নাম, নুর আহমেদ রাকিব ও মহম্মদ আরশাদ রাহুল। দুজনেই যুবক। সূত্রের খবর, আগেভাগেই ওই গাড়ির বিষয়ে খবর ছিল পুলিশের কাছে। তাই প্রস্তুতি ছিল নিশ্ছিদ্র।চতুর্থীর রাতে বজবজের দিক থেকে গাড়িটি এসে দাঁড়ায় তারাতলায় ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজের সামনে। পুলিশ এগিয়ে আসছে দেখে গাড়িটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু দুদিক থেকেই গাড়িটিকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। তারপর তল্লাশি চালানো হয় গাড়ির ভিতরে। তল্লাশিতে পুলিশ দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে।
পুলিশ সূত্রে খবর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত দুই যুবক তাঁদের অস্ত্র নিয়ে কলকাতায় আসার উদ্দেশ্য স্বীকার করেছে। ধৃত নুর আহমেদ রাকিব ও মহম্মদ আরশাদ রাহুল জানিয়েছে পুজোর সময় কলকাতার বুকে আতঙ্ক স্মৃষ্টি করাই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। শান্ত কলকাতাকে অশান্ত করে পুজোর আমেজ কে ভেস্তে দিতে চেয়েছিল তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ তৈরি স্বদেশী স্কোয়াড,শেষ বিদেশী স্লটে একাধিক স্ট্রাইকার নিয়ে ভাবনা ইস্টবেঙ্গলের
যদিও সূত্রের দাবি, ধৃত নুর আহমেদ রাকিব ও মহম্মদ আরশাদ রাহুল শুধু নয় কলকাতা কে অশান্ত করার উদ্দেশ্যে একাধিক ছোট ছোট টিম নেমেছে বিভিন্ন প্রান্তে। পুলিশ জানতে পেরেছে এই ঘটনার পেছনে রয়েছে গভীর চক্রান্ত। কে বা কারা এই দুষ্কৃতীদের পরিচালনা করছে তার খোঁজে শুরু হয়েছে তদন্ত।
পুজোর কলকাতায় অশান্তির ছক।অস্ত্র নিয়ে ধৃত দুই যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এদিকে একই দিনে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ২৭ জন কে। পুলিশ জানার চেষ্টা করছে অস্ত্র নিয়ে ধৃত দুজনের সাথে বাকিদের যোগসাজশ রয়েছে কিনা।



