নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনার টিকা কোভ্যাক্সিনের মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হচ্ছে। দেশের ১২টি জায়গায় চলছে প্রয়োগ। তার মধ্যে অন্যতম দিল্লির এইমস। সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে এই টিকা নেওয়া জন্য আবেদন করেছেন বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে ২০ শতাংশের শরীরেই মিলেছে করানোর অ্যান্টিবডি।
আরও পড়ুনঃ সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ, অস্বস্তিতে মুম্বাই পুলিশ।
সম্প্রতি টিকা পরিক্ষামুলক ভাবে দেবার জন্য স্বেচ্ছাসেবকের আবেদন করছিল এইমস। আর আবেদন করতেই প্রচুর মানুষ সারা দিয়েছিল। কিন্তু প্রথমে ৮০ জনের শরীরে এই টিকা দেবার জন্য তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করে ১৬ জনকে বাছা হয়।এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য কারা যোগ্য? যাঁদের হার্ট, লিভার, ফুসফুস, কিডনির অসুখ নেই, হাইপারটেনশন বা সুগার নেই, তাঁদের ওপরেই চলতে পারে প্রয়োগ। বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৫৫ বছর।
টিকা প্রয়োগের আগে আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবীদের সমস্ত রকম শারীরিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই পরীক্ষার ফল আশাপ্রদ হলে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হচ্ছে। দু’ সপ্তাহ নজর রাখা হচ্ছে। সুস্থ থাকলে টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ করা হচ্ছে।এইমস-এর এক প্রবীণ চিকিত্সক জানালেন, ‘বেশিরভাগ স্বেচ্ছাসেবীকেই টিকা দেওয়া যাচ্ছে না। দেখা গেছে স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে ২০ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি রয়েছে। অর্থাত্ তাঁদের ইতিমধ্যেই করোনা হয়ে গিয়েছে। বাকিদের হার্ট বা কিডনির অসুখ রয়েছে বলে টিকা দেওয়া যাচ্ছে না।’ চিকিত্সকের কথায়, যাঁদের শরীরে অ্যান্টিবডি রয়েছে, তাঁদের ওপর টিকার প্রভাব বোঝা যাবে না।
প্রায় ২০ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবকের শরীরেই অ্যান্টিবডি রয়েছে। এর মানে তাঁরা ইতিমধ্যেই সংক্রমিত হয়েছেন। বাকিদের মধ্যে সর্বোত্তমস্তরে লিভার বা কিডনির কার্যকারিতা নেই।’দেশজুড়ে আইসিএমআর-এর বাছাই করা ১২টি হাসপাতালে কোভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা ট্রায়াল শুরু হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল এইমস। মোট তিনটি পর্যায়ে ভ্যাকসিনের পরীক্ষা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৩৭৫ জনের উপর এই পরীক্ষা করা হবে। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনকে বাছাই করা হয়েছে এইমস- এর তরফে।



