নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০০৮-এ ২৬ নভেম্বর মুম্বইতে হামলায় চালায় পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার ১০ জঙ্গি। তিনদিন ধরে বাণিজ্য নগরীতে তাণ্ডব চালায় তাঁরা। বিলাশ বহুল হোটেল থেকে রেল স্টেশন বা হাসপাতাল রক্তাক্ত হয়েছিল শহরের একাধিক এলাকা।
আরও পড়ুনঃ বর্তমানে রাজ্যে এক আল্ট্রা ইমার্জেন্সির অবস্থা, ফের নিজ ভূমিকায় অবতীর্ণ শুভেন্দু


এর মধ্যে ছিল ঐতিহ্যবাহী তাজ ও ওবেরয় হোটেলও। ২০০৮-র মুম্বই জঙ্গি হামলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। গুরুতর আহত হন আরও ৩০০ জন। পরে NSG নামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এক এক করে নয় জঙ্গিকে নিকেশ করেন কমান্ডোরা। আজমল কাসভ নামের এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল মুম্বই পুলিশ।

পরে তাঁকেও মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়। আজ সেই অভিশপ্ত দিনের ১৪ বছর পূর্ণ হল। সেই উপলক্ষ্যে হামলায় নিহতদের উদ্দেশে শনিবার শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । এদিন একই সঙ্গে পালিত হচ্ছে সংবিধান দিবসও। সেই প্রসঙ্গ তুলে মোদি বলেন, “আজ মুম্বই হামলার বার্ষিকী।



১৪ বছর আগে যখন ভারত সংবিধান ও নাগরিক অধিকারের উদযাপন করছিল, সেই সময়ই মানবতার শত্রুরা এদেশের সবচেয়ে বড় জঙ্গি হামলাটি করেছিল। এই লড়াইয়ে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিলেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি।” সেই সঙ্গে স্বাধীনতার ‘অমৃত মহোৎসবে’র বছরে সংবিধান দিবস যে নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে তাও বলেছেন প্রধান।

সংবিধান দিবস প্রসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন ‘উই দ্য পিপল’ কথাটির অর্থ। তিনি বলেন, এটাই বুঝিয়ে দেয় কোন বিশ্বাস ও প্রতিজ্ঞার পথে ভারত সারা বিশ্বের কাছে ‘গণতন্ত্রের জননী’ হয়ে উঠেছে। অপর দিকে এই দিন উপলক্ষ্যে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।

২৬/১১-র হামলার ১৪ বছর, পাকিস্তানকে তোপ প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদ মানবতার শত্রু। আজ, ২৬/১১-র দিন ভারতের সঙ্গে গোটা দুনিয়াও নিহতদের স্মরণ করছে। যারা এই জঘন্য হামলার পরিকল্পনা করেছিল, তাদের বিচার হবেই। বিশ্বের যাঁরাই জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছেন, আমরা তাঁদের কাছে ঋণী।”







