নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত প্রায় দু’বছর ধরে করোনা ভাইরাসের তান্ডব চলছে বিশ্বব্যাপী। আমাদের দেশ তার বাইরে নয়। করোনার একের পর এক ঢেউ নাস্তানাবুদ করে চলেছে বিশ্ববাসীকে। কবে যাবে এই করোনা সে প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারছেন না কেউ। এই পরিস্থিতির মধ্যে এক নতুন রিপোর্ট পেশ করল ইউনিসেফ। আর এই রিপোর্টে উঠে এসেছে বেশ কিছু মারাত্মক তথ্য।
আরও পড়ুনঃ কেমন যাবে পুজোর ৪ দিন? জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস
রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতের যুব সমাজ যাদের বয়স ১৫ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে সেই সমস্ত যুবক যুবতীরা মানসিকভাবে ব্যাপক আক্রান্ত হয়েছে। ইউনিসেফের (UNICEF) এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভারতের ১৫ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে বয়স যে সমস্ত যুবক যুবতীর তাদের মধ্যে প্রায় ১৪ শতাংশ হতাশাগ্রস্ত (Frustrated) হয়ে পড়েছে।

অর্থাৎ সাত জনের মধ্যে একজন ডিপ্রেশন বা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য (Mansukh Mandavya) মঙ্গলবার ইউনিসেফের এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সনাতন সংস্কৃতি এবং আধ্যাত্মিকতায় মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

মন এবং শরীরের বিকাশ আমাদের গ্রন্থে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একটি সুস্থ মন একটি সুস্থ দেহে বাস করে। আমরা খুবই খুশি ইউনিসেফ শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে একটি বৈশ্বিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।’এছাড়াও শিশুদের মানসিক হতাশার অন্যতম কারণ নিয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমাদের সমাজে যৌথ পরিবার এখন প্রায় কমেই গিয়েছে। পরিবর্তে আলাদা আলাদা থাকা হয়।

শিশুরা খেলার জন্য বা কথা বলার জন্য বেশি মানুষ পায় না। আজ বাবা-মা তাঁদের সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না। তাই শিশুরা হতাশার কথাও সেভাবে বলতে পারছে না। ফলে বাড়ছে মানসিক হতাশা। একটি উন্নত সমাজ গঠনের জন্য জন্য শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
করোনার কারণে দেশের ১৪ শতাংশ যুবক-যুবতী হতাশার স্বীকার
এর জন্য বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উন্নত মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যবস্থাও করতে হবে। কারণ, শিশুরা তাদের শিক্ষকদের সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে। মন খুলে কথা বলতে পারে। আমাদের এই বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণভাবে ভাবতে হবে।’



