নজরবন্দি ব্যুরোঃ মণীশ খুনের চক্রী সুবোধ কে CID-র হাতে দেওয়া হল না! CID বিজেপি-র ‘ইনোসেন্ট’ কর্মীদের ফাঁসাতে পারে! এই আশঙ্কায় বিজেপি যুবনেতা মণীশ শুক্ল খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিল বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ মণীশ হত্যায় মূল অভিযুক্তদের আড়াল করে যারা অপরাধী নয় তাঁদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে সিআইডি ও পুলিশ। কিন্তু এবার যে ঘটনা ঘটল তা কার্যত নজিরবিহীন। ঘটনার মূল চক্রী হিসেবে সিআইডি-র খাতায় যার নাম সর্বাগ্রে রয়েছে তাঁকে জেরা করতে দিলনা বিহার পুলিশ!
আরও পড়ুনঃ পুজোর আগে তিলোত্তমায় ফিরল দোতলা বাস। উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।


উল্লেখ্য, রাজ্য রাজনীতিকে চমকে দিয়ে অর্জুন সিং কদিন আগে নিজে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁকে ফাঁসাতে পারে সিআইডি। তিনি যাঁদের চুনোপুঁটি বলে উল্লেখ করেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিহারের সুবোধ কান্ত সিং, ওরফে অভিষেক। সুবোধের মাধ্যমেই বিজেপি নেতা মনীশ কে খুন করিয়েছে কেউ বা কারা, এই বিষয়ে নিশ্চিত সিআইডি। জানা গিয়েছে সে একজন সুপারি কিলার, জেলে বসেই খুনের পরিকল্পনা করেছিল সে। মনীশ কে খুন করতে সে কলকাতায় পাঠিয়েছিল ৬ জন ভাড়াটে খুনি কে!
এখন সিআইডি জানার চেষ্টা করছে সুবোধ কে সুপারি যে দিয়েছিল তার নাম, কত টাকা নিয়েছিল সুবোধ ইত্যাদি। অর্থাৎ যবনিকা পতন যখন আসন্ন ঠিক তখনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে নিয়ে আসেন অর্জুন সিং! এদিকে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কান টানলে মাথা আসবে এমন পরিস্থিতি তৈরী হলেও সিআইডির হাতে কান তুলে দিলনা বিহার পুলিশ!
মণীশ খুনের চক্রী সুবোধ কে CID-র হাতে দেওয়া হল না! কেন? সুবোধ কে জেরা করতে পাটনা গিয়েছিল সিআইডি-র বিশেষ টিম। কিন্তু বিহারে নির্বাচন হবে কিছুদিন পর এই কারন দেখিয়ে ব্যাঙ্ক ডাকাতি-র মত অপরাধে দণ্ডিত ‘কুখ্যাত অপরাধী’ সুবোধকে সিআইডির হাতে তুলে দিলনা বিহার প্রশাসন। পাটনা গিয়েও সেই ব্যক্তিকে জেরা করা সম্ভব হল সিআইডি তদন্তকারীদের, শূন্য হাতেই ফিরলেন তাঁরা। এদিকে সিআইডি-র হাতে যেহেতু সুবোধ এলনা তাই স্বাভাবিক ভাবেই গতি স্লথ হল তদন্তের।









