ছাত্র আন্দোলন ক্রমেই রুপ নিয়েছে ধর্মীয় আন্দোলনে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেশ ত্যাগের পরেই রীতিমতো অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। চরম অরাজকতা তৈরি বাংলাদেশে। একের পর জালীয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে পুলিশ স্টেশন। সেই সঙ্গে হামলা চালানো হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের অপর। ভেঙে দেওয়া হচ্ছে মন্দির সহ একাধিক ধর্মীয় স্থান। এখন প্রশ্ন এই পরিস্থিতিতে কি বাংলাদেশি শরণার্থীর ভিড় বাড়বে বাংলায়? ফিরবে একাত্তরের পুরানো স্মৃতি?
যদিও কিছু দিন আগেই একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, বাংলার দরজায় কেউ খট খট করলে বাংলা তাঁকে ফেরাবে না। শুধু তাই নয় শরণার্থীর আশ্রয় প্রসঙ্গে সোমবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, “আপনারা সবাই মানসিক প্রস্তুত থাকুন বাংলাদেশের ১ কোটি হিন্দু শরণার্থী পশ্চিমবঙ্গে আসছে। মৌলবিদের হাতে বাংলাদেশ যাচ্ছে।”


যদিও এখনও পর্যন্ত শরণার্থীর সমস্যার জন্ম হয়নি বাংলায়। ইতিমধ্যেই অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করে স্থল ও জলপথেও বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয়েছে আরও সেনাবাহিনী। মালদা, দক্ষিন দিনাজ পুরের হিলি, থেকে শুরু করে উত্তর দিনাজ পুরের পেট্রাপোল বন্দরে বাড়ানো হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। স্থলপথের পাশাপাশি জলপথেও চলছে নজরদারি। নাইট ভিশন ক্যামেরায় নজরদারি। এই পরিস্থিতে বর্ডারে যাতায়াত বন্ধ করেছে ত্রিপুরা সরকার।
কিন্তু প্রশ্ন সত্যিই যদি কোন অসহায় ভারত তথা বাংলার দরজায় খট খট করে বাংলা কি ফেরাতে পারবে? তবে ঠিক কত শরণার্থী বাংলায় আসতে পারে সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের দাবি, কোন দেশে শরণার্থীদের আশ্রয় দিলে প্রথমেই চাপ বাড়বে সেই দেশের আর্থিক অবস্থায়। তারপর চাপ বাড়বে কর্মসংস্থানে। কারণ সম্পদ সীমিত বাংলায়। তাই ওপারে অশান্তি বাড়তেই এপারে বাড়ছে আশঙ্কা।







