৩০ টাকাতেই ১ কোটি, রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক মাছ বিক্রেতা

৩০ টাকাতেই ১ কোটি, রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক মাছ বিক্রেতা
৩০ টাকাতেই ১ কোটি, রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক মাছ বিক্রেতা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ  মাত্র ৩০ টাকায় ভাগ্য বদল, ভাবা যায়! তবে ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। মাছ বিক্রেতা থেকে রাতারাতি কোটিপতি হলেন পুরুলিয়ার আদ্রা থানা এলাকার বাসিন্দা ফকির কৈবর্তর সঙ্গে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার জীবনে প্রথমবার লটারি কেটেছিলেন ফকির কৈবর্ত। আর তাতেই বাজিমাত। একেবারে প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা জিতেছেন তিনি। দিন-আনা, দিন-খাওয়া মাছ বিক্রেতা ফকির হঠাৎ করে কোটিপতি হয়ে নিরাপত্তার অভাব বোধ করে তিনি তড়িঘড়ি লটারির টিকিট নিয়ে হাজির হয়েছেন থানায়।

আরও পড়ুনঃ কোভিডের প্রভাবে দেড় ইঞ্চি কমেছে যুবকের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য, মাথায় হাত গবেষকদের

পুরুলিয়া জেলার আদ্রা থানার অন্তর্গত গগনাবাদ অঞ্চলের গোয়ালা পাড়ার বাসিন্দা হলেন ফকির কৈবর্ত। ভাঙা বাড়িতে স্ত্রী ছাড়াও এক ছেলে, এক মেয়ে এবং বয়স্ক মা রয়েছে। মাছ বিক্রি করে কোনওরকমে সংসার চলছিল তাঁর। জীবনে কখনও লটারি কাটেননি। দিনবদলের আশায় হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার মাছ বিক্রি করে ফেরার পথে একটি লটারি কাটেন। মাত্র ৩০ টাকা দিয়ে ‘ডিয়ার মর্নিং’ লটারি কাটেন ফকির।

ভাবতে পারেননি, ৩০ টাকার লটারি তাঁর জীবনের চাকা ঘুরিয়ে কোটিপতি করে দেবে তাঁকে। ফকিরের বক্তব্য, বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ৩০ টাকা দিয়ে ডিয়ার মর্নিং লটারির টিকিট কাটেন তিনি। তারপর বিকেল ৩টে নাগাদ ফোন আসে তাঁর কাছে, আর সেখানে তাঁকে জানান হয় তাঁর লটারিতে প্রথম পুরস্কার ১ কোটি টাকা লেগেছে।

হঠাৎ করে লটারিতে ১ কোটি টাকা জেতার খবর পেয়ে আনন্দে অভিভূত ফকির। উচ্ছ্বসিত তাঁর গোটা পরিবার। এখন এত টাকা নিয়ে কী করবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না ফকির। কোটি টাকা নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা দূরস্ত, বরং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি। নিরাপত্তার জন্য বৃহস্পতিবার রাতেই ওই লটারির টিকিট নিয়ে স্থানীয় আদ্রা থানায় হাজির হয়েছেন ফকির। আদ্রা থানার পুলিশ অবশ্য ফকিরকে নিরাশ করেনি। মাছ বিক্রেতা ও তাঁর পরিবারকে সবরকম নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন।

৩০ টাকাতেই ১ কোটি, রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক মাছ বিক্রেতা

৩০ টাকাতেই ১ কোটি, রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক মাছ বিক্রেতা
৩০ টাকাতেই ১ কোটি, রাতারাতি কোটিপতি হলেন এক মাছ বিক্রেতা

পুলিশের কথা অনুযায় বৃহস্পতিবার সারারাত আদ্রা থানাতেই ছিল ফকির। তারপর শুক্রবার সকালে বাড়ি ফিরলেও দুশ্চিন্তা ফকিরের পিছু ছাড়ছে না। এখন ভালোয়-ভালোয় টাকাটা হাতে পেলেই শান্তি! কোটি টাকা নিয়ে কী করবেন সে ব্যাপারে এখনও বিশেষ পরিকল্পনা করেননি ফকির কৈবর্ত। তবে একটি ভালো বাড়ি বানানোর ইচ্ছা রয়েছে। এছাড়া ছেলে, মেয়েদের ভালভাবে পড়াশোনা শিখিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করাতে চান তিনি।