নজরবন্দি ব্যুরো: চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল ওড়িশার নয়াগড়ে। এক মৃত শিশুকন্যাকে খুন করে তাঁর মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ছেলেটির বয়স ১৮ বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ওড়িশা পুলিশের স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম ওই পেডোফিলকে সোমবার গ্রেফতার করেছে।
আরও পড়ুন: “হারাম” ভ্যাকসিন ব্যবহার না করার ফতোয়া জারি মুসলিম সম্প্রদায়ের।
SIT-এর প্রধান অরুণ বোথরার দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্ত যুবক ওই শিশুকন্যাকে খুন করে, মৃত শরীরের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিল। বোথরা আরও জানান, ধৃত যুবক চাইল্ড পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়েছিল। নিজের যৌন আকাঙ্ক্ষা পূরণে বাচ্চা মেয়েটির কাছে বাধা পেয়ে, সে তাকে খুন করতেও পিছপা হয়নি। নাবালিকাকে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে, নিথর নিষ্প্রাণ দেহের সঙ্গেই সে সঙ্গমে লিপ্ত হয়।
যদিও ওই ‘বিকৃতকাম’ ওই যুবকের মা ও বোনের দাবি, সে নির্দোষ। এমনকী ঘটনার শিকার ওই শিশুটির মা-বাবা পর্যন্ত স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিমের দাবির সঙ্গে একমত হতে পারেনি। পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী টিম যা-ই বলুক, ছেলেটির মা এদিনও বলেন, ‘ছেলে আমার নির্দোষ।’ শিশুকন্যার মা-ও সিটের তদন্তের বিপক্ষে গিয়ে অভিযুক্তকে ‘ভালো ছেলে’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে সিটের দাবি নস্যাত্ করে ইতিমধ্যে নয়াগড় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন অভিযুক্তের মা। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সিটের তদন্ত নিয়ে আমি ইতিমধ্যে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আমার নিরাপরাধ ছেলেকে ওরা গ্রেফতার করেছে।’
বোথরার বিরুদ্ধে তোপ দেগে আরও বড় অভিযোগও তিনি করেছেন। তাঁর দাবি, সিটের প্রধান বোথরা তাঁর ছেলেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অফার করে অপরাধ কবুল করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। সিটের হেফাজতে ছেলের উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
শিশুকন্যাকে খুন করে মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম, পুলিশের জালে বিকৃতকাম যুবক, অভিযুক্ত যুবকের মায়ের দাবি উড়িয়ে সিটের প্রধান বোথরা বলেন, ‘পুলিশে আমার বাইশ বছরের কর্মজীবনে এটি অন্যতম নৃশংস ও মারাত্মক অপরাধ।’ অভিযুক্তকে ‘অত্যন্ত চালাক’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, ছেলেটি মোবাইল ফোন থেকে Google history ডিলিট করে দিয়েছিল। কিন্তু, পুলিশ মোবাইল ফোনটি খোলার সঙ্গে সঙ্গে তিন বছরের এক শিশুকন্যার খুন-ধর্ষণের পপ আপ সামনে আসে।



