নজরবন্দি ব্যুরো: “হারাম” ভ্যাকসিন ব্যবহার না করার ফতোয়া জারি মুসলিম সম্প্রদায়ের। বছর ঘুরতে চললো করোনার। প্রায় ৯ মাস ধরে করোনার আতঙ্কে বিশ্ববাসী। সেই আতঙ্ক কে সাময়িক স্বস্তি দিতে বাজারে আসতে চলেছে করোনা ভ্যাকসিন। তা নিয়ে সকলে যখন আশাবাদী তার মাঝেই প্রায় ৯টি মুসলিম সম্প্রদায় হটাৎই জানিয়েছেন ভ্যাকসিন তাঁদের জন্য হারাম।ব্যাবহার করবেন না ভ্যাকসিন। করোনার আক্রমনের প্রথম কয়েকমাস সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল সবকিছু। তার পর থেকে আস্তে আস্তে শুরু হচ্ছে স্বাভাবিক জীবন।
আরও পড়ুনঃ বাম-কং জোটের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ অধীর! ট্যুইট নেপাল মাহাতোর।
দীর্ঘদিনের গবেষনার পর বিশ্বের বড় বড় কয়েকটি সংস্থা দেখাচ্ছে আশার আলো। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বানিয়েছে ভ্যাকসিন। দফায় দফায় ট্রায়ালের পর খুব শীঘ্রই বাজারে আসতে চলেছে ভ্যাকসিন। সেদিকেই তাকিয়ে যখন গোটা বিশ্ববাসী তখন কয়েকটি মুসলিম সম্প্রদায় জানিয়ে দিয়েছেন স্পষ্ট ভাবেই করোনার ভ্যাকসিন নেবেন না তাঁরা। যে কোনো ভ্যাকসিন তৈরি করে মজুত করার জন্য ব্যবহার করা হয় পর্ক জিলোটিন। আর পর্ক জিলটিন তৈরি হয় শুয়োরের চর্বি দিয়ে।
“হারাম” ভ্যাকসিন ব্যবহার না করার ফতোয়া জারি মুসলিম সম্প্রদায়ের। সেটা ব্যবহার করা মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য হারাম বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। আপাতত ভারতে চিনা ভ্যাকসিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন তাঁরা। মুম্বাইয়ের রাজা অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নূর বলছেন চিনা ভ্যাকসিন নেবেন না তাঁরা। পর্ক এর ব্যাবহার তাঁদের শরীরে হারাম। তিনি এও জানিয়েছেন ভরত সরকারের উচিত বাইরের দেশের কোনো ভ্যাকসিন দেশে আনার আগে সরকারের উচিত তাতে ব্যবহৃত সকল দ্রব্যের সঠিক তালিকা দেওয়া। তাতে মুসলিম সমাজ অবগত থাকতে পারবে। উল্টোদিকে আবার অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার সভাপতি স্বামী চিক্রপানি মহারাজ জানিয়েছেন আমেরিকায় উৎপাদিত করোনা ভ্যাকসিনে ব্যাবহার করা হচ্ছে গরুর রক্ত।
ভারতে কোনোভাবেই এই ভ্যাকসিন ব্যাবহার করা উচিত নয়। মানুষের আবেগ নিয়ে খেলছে সবাই তাই এরূপ ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে ফাইজার, মর্ডনা, এস্ট্রোজেন এর মত সংস্থাগুলো জানিয়েছে ভ্যাকসিনের পর্ক জিলেটিন ব্যবহার করেননি তাঁরা। বাকিরা এখনো কোনো তালিকা দেননি যদিও। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফতোয়া কাউন্সিল এর সভাপতি আবদুল্লাহ বিন বায়াহ জানিয়েছেন দীর্ঘ গবেষনার পর বৃহত্তর মানুষের স্বার্থেই বানানো হচ্ছে ভ্যাকসিন। এর ওপর ফতোয়া জারি করা উচিত হবেনা। মানুষের সুস্থতা এখন সবার আগে।



