ভোটের আগে ভাষা-রাজনীতি ফের উত্তপ্ত বাংলায়। কাঁথির সভা থেকে Yogi Adityanath-এর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম—বাংলা বনাম উর্দু প্রসঙ্গ টেনে সরাসরি আক্রমণ তৃণমূলকে। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক তাপমাত্রা যেমন বেড়েছে, তেমনই সামনে এসেছে ভাষা ও পরিচয়ের সংবেদনশীল প্রশ্ন।
রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে সভা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি কলকাতার মেয়র Firhad Hakim-এর পুরনো মন্তব্য টেনে এনে কটাক্ষ করেন। আদিত্যনাথের দাবি, বাংলায় উর্দুর প্রসার নিয়ে যে বক্তব্য রাখা হয়েছিল, তা আসলে বাংলা ভাষা ও বাঙালির পরিচয়ের উপর আঘাত।


তিনি বলেন, “যাঁরা উর্দু বলতে চান, তাঁরা সেই জায়গায় যান যেখানে উর্দু বলা হয়। এখানে বাংলা ভাষাই প্রাধান্য পাবে।” এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে, কারণ বিরোধীরা একে বিভাজনমূলক মন্তব্য হিসেবে দেখছে।
এই সভা থেকেই বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও তীব্র আক্রমণ শানান যোগী। তাঁর অভিযোগ, Trinamool Congress, কংগ্রেস ও সিপিআইএমের শাসনে রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
উত্তরপ্রদেশের উদাহরণ টেনে আদিত্যনাথ বলেন, “একসময় উত্তরপ্রদেশেও প্রায় প্রতিদিন হিংসার ঘটনা ঘটত। কিন্তু ২০১৭ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি বদলেছে।” সেই অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখেই বাংলাতেও পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি।


সভা থেকে বাংলার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রসঙ্গও তোলেন যোগী। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে উন্নয়ন ও সুশাসন ফিরিয়ে আনতে বিজেপিই একমাত্র বিকল্প।
শেষে ভাঙা বাংলায় রাজনৈতিক বার্তাও দেন তিনি—“বাংলা আর চুপ থাকবে না, এবার খেলা শেষ, উন্নয়ন শুরু।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।









