নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘি কেন্দ্রে রয়েছে উপনির্বাচন। শেষ মুহুর্তের প্রচারেও কোনও কমতি রাখতে নারাজপ রাজ্যের শাসক দল। আগামীকাল দলীয় প্রার্থী দেবাশীস বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর ১ টা নাগাদ সাগরদিঘির দিঘার মোড়ে রয়েছে জনসভা। সেখানেই বক্তব্য রাখবেন অভিষেক। সাগরদিঘি থেকে শুভেন্দুকে জবাব দেবেন অভিষেক? তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।


সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্র বহুদিন ধরে তৃণমূলের দখলে ছিল। ওই কেন্দ্র থেকে বিধায়ক পদে নির্বাচিত হয়েছেন সুব্রত সাহা। দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেবিনেটের সদস্য ছিলেন তিনি। গত বছরেই সুব্রত সাহার অকাল প্রয়াণে ওই কেন্দ্রটি খালি পড়ে ছিল। সম্পরতি সেখানে নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে কমিশন। তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে সমস্ত দল নির্বাচনের প্রচারে জোর দিয়েছে।

ওই কেন্দ্রে এবার তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশীস বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিচয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যও তিনি। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ সাহাকে। অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে ওই আসনে লড়াইয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বাইরন বিশ্বাসকে। সাগরদিঘি কেন্দ্রে এবার প্রার্থী না দিলেও কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের জন্য এগিয়ে এসেছে বামেরা। বিধানসভায় শূন্যর লজ্জা ঘোচাতে পারবে বাম-কংগ্রেস জোট?
সাগরদিঘি থেকে শুভেন্দুকে জবাব দেবেন অভিষেক? তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল



পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচনের সময় সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম স্থানে ছিল তৃণমূল। দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিজেপি। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। শাসক দলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুকেই হাতিয়ার করে প্রচারে নেমেছে সমস্ত বিরোধী দলগুলি। প্রচারে নেমে রাজ্য সরকারকে একাধিক ইস্যুতে তুলোধনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। একটা সময় তৃণমূলের দূর্গ তিনিই সামলেছেন। বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক কানাই মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এখন মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূলের সংগঠন বেশ নড়বড়ে। তাই সংগঠনকে চাঙ্গা করতে বিশেষ বার্তা দিতে চলেছেন অভিষেক। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।







