কোভিডের বাড়বাড়ন্ত বহুতল আবাসনে কেন? চাঞ্চল্যকর তথ্য পুরসভার কাছে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোভিডের বাড়বাড়ন্তের মূলে বহুতল আবাসন ও তার বাসিন্দারা একা দায়ী না হলেও তাঁদের যে বড় ভূমিকা আছে, তা আজ প্রমাণিত। কিন্তু কেন? এমন তো হওয়ার কথা ছিল না! শিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত মানুষ যেখানে থাকেন, সেখানে তো উল্টোটাই হওয়ার কথা! কিন্তু তা যে হচ্ছে না, তা স্বচক্ষে দেখা যাচ্ছে। এক প্রথম শ্রেণীর সংবাদ পত্রকে এই নিয়ে নিজের মত জানিয়েছেন, হৃদরোগ বিশেষ়জ্ঞ কুণাল সরকার।

আরও পড়ুনঃ দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের কাছাকাছি, বাড়ছে মৃত্যুও

Shamim Ahamed Ads

তিনি বলছেন, “হবে কী করে? বস্তি ও বহুতলে ফারাক কোথায়? একটা বস্তিতে যদি আড়াই কিমি ব্যাসার্ধের এলাকায় ১০ লাখ মানুষ থাকেন, বহুতলে ১০ হাজার স্কোয়্যার ফিটে থাকেন তিন হাজার মানুষ। বস্তির অলিগলি যতটা জীবাণু-কলুষিত, ঠিক ততটাই কলুষিত বহুতলের লিফট, কমন এরিয়া।’’ অপর দিকে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, করোনার সামান্য উপসর্গ থাকলে বাড়িতে বসে কিট দিয়ে পরীক্ষা করে নিচ্ছেন অনেকেই।

পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের কর্তাদের কথায়, কঠোরভাবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চাইছেন তাঁরা। এমনকী পুরসভার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট বা হাসপাতালগুলির রিপোর্ট না থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে না এমন বার্তাও দিচ্ছেন তাঁরা।

এই প্রবণতা বেশি করে দেখা যাচ্ছে শহরের বহুতলগুলিতে। যার ফলে কার করোনা হয়েছে বা কী উপসর্গ রয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য কলকাতা পুরসভার কাছে আসছে না। এভাবে কিটের সাহায্যে নিজেদের মতো করে পরীক্ষা করার ফলেই কলকাতা পুরসভার অভ্যন্তরীণ নজরদারি বা ইন্টার্নাল সার্ভিলেন্সে অত্যন্ত সমস্যা হচ্ছে।

কোভিডের বাড়বাড়ন্ত বহুতল আবাসনে কেন? চাঞ্চল্যকর তথ্য পুরসভার কাছে
কোভিডের বাড়বাড়ন্ত বহুতল আবাসনে কেন? চাঞ্চল্যকর তথ্য পুরসভার কাছে

স্বাস্থ্যবিভাগের কর্তাদের কথায়, কিট দিয়ে পরীক্ষা নয়। বরং উপসর্গ দেখা দিলে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা করান। না হলে কারও করোনা হয়ে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হলে, সেই ব্যক্তি বা মহিলার সমস্যা গুরুতর হতে পারে।

কোভিডের বাড়বাড়ন্ত বহুতল আবাসনে কেন? চাঞ্চল্যকর তথ্য পুরসভার কাছে

পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের কর্তাদের কথায়, কঠোরভাবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চাইছেন তাঁরা। এমনকী পুরসভার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট বা হাসপাতালগুলির রিপোর্ট না থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করা যাবে না এমন বার্তাও দিচ্ছেন তাঁরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত