নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোনার দামে রেকর্ড পতন। সুখবর মধ্যবিত্তের জন্যে। আজ লাগাতার ৬ দিন! সর্বোচ্চ সীমা থেকে প্রায় ৮০০০ টাকা দাম কমল সোনার।করোনা আবহে দেশজুড়ে হুহু করে সোনার দাম বেড়েছে গত কয়েক মাসে। মাঝে গত মাসের ১১ তারিখে এক ধাক্কায় কিছুটা দাম কমলেও ফের বাড়তে শুরু করে এই মূল্যবান ধাতুর দাম। গরিব, নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে বেরিয়ে যায় সোনা। কিন্তু শেষ ৬ দিন ধরে ফের দাম কমতে শুরু করেছে সোনার। কিন্তু কেন?
আরও পড়ুনঃ WhatsApp করা যাবে একই নম্বর ব্যবহার করে একসঙ্গে ৪ টি ডিভাইস থেকে! কিভাবে জানেন?
সোনার দামে রেকর্ড পতন। সুখবর মধ্যবিত্তের জন্যে। এ নিয়ে পরপর ষষ্ঠ দিন এভাবে মন্দার মুখোমুখি হল সোনার বাজার। সোনার দামে এই পতনের কারণ হিসেবে ডলারের দাম বৃদ্ধি ও মার্কিন আর্থিক প্যাকেজের অনিশ্চয়তাকে ব্যাখ্যা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বছর ৭ আগস্ট দাম রেকর্ড ছুঁয়েছিল। ১০ গ্রাম ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছিল ৫৬ হাজার ২০০ টাকা।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসের ১৬ তারিখ সোনার মূল্য দাঁড়ায় ২২ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দাম ৫০ হাজার ৯০০ টাকা। পাশাপাশি ২৪ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দাম দাঁড়ায় ৫৩ হাজার ৬০০ টাকা। এরপর ১৭ই সেপ্টেম্বর একধাক্কায় কিছুটা দাম কমলেও তারপর ফের বাড়তে শুরু করে সোনার মূল্য।
এইভাবে গত কয়েকদিন দাম বাড়তে থাকার পর ফের ৬ দিন আগে থেকে কমতে শুরু করে সোনার দাম। গত ৬ দিনে ভারতে ২২ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দাম কমেছে মোট ২ হাজার ১৯০ টাকা। পাশাপাশি ২৪ ক্যারেট সোনার দাম কমেছে একই ভাবে ২ হাজার ১৯০ টাকা।
আজ ২৬ সেপ্টেম্বর ভারতের বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দাম দাঁড়িয়েছে ৪৮ হাজার ৩০০ টাকা। পাশাপাশি ২৪ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৩০০ টাকা। অর্থাৎ গত ৭ই আগস্টের তুলনায় ২২ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রাম পিছু দাম কমেছে ৭ হাজার ৯০০ টাকা। শুধু ভারতে নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম ৬ সপ্তাহের সর্বনিম্ন, স্পট প্রাইস কমে গিয়ে দাঁড়িয়েছে আউন্স পিছু ১,৮৮৭.৩৫ টাকা। কিন্তু এভাবে দাম কমছে কেন সোনার?
এর কারণ হিসেবে মিলউড কানে ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা-সিইও নিশ ভাট বলছেন, সোনা হল আন্তর্জাতিক পণ্য, মার্কিন ডলারের দাম বাড়লে তা সোনার দামে প্রভাব ফেলে। তা ছাড়া বাজারের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্যাকেজ ঘোষণা অত্যন্ত জরুরি, কারণ ফেড চেয়ারম্যান মার্কিন কংগ্রেসে জানিয়েছেন, বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে সরকারকে আরও খরচ করতে হবে।



