টালিগঞ্জের পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে জটিলতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। বেশ কয়েকদিন ধরেই এই নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ দেখা গিয়েছে টলিপাড়ায়। এই ঘটনা নিয়ে এই মুহূর্তে আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে গিয়েছে ফেডারেশন বনাম পরিচালক ও প্রযোজক সংগঠন। এই ঘটনার চূড়ান্ত রূপ নেয় গত শনিবার টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে।
সেখানে পরিচালক রাহুল শুটিং শুরু করবার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সাত সকালে শুটিং করতে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রাহুল মুখোপাধ্যায় ডিরেক্টর থাকলে তারা শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন না। অপেক্ষার পরে আলোচনার মাধ্যমেও শুটিং শুরু করা যায়নি। এরপর একে একে মুখ খুলতে থাকেন অভিনেতা থেকে পরিচালক। অভিনেতা দেব এই নিয়ে আলোচনার কথা বলেন।



পরিচালক অনেক দত্ত প্রশ্ন তোলেন ফেডারেশন কি কোন পরিচালকের সঙ্গে কাজ করবেন কি করবেন না তা ঠিক করে দিতে পারেন? এইসবের মধ্যেই অচল অবস্থা দূর করবার জন্য প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে বৈঠকে বসেন পরিচালকরা। এখানে বেশ কয়েকজন পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী জানান, “রাহুলের কি হবে এটা এখন বড় প্রশ্ন। আমরা পরিচালকরা এই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। আশা করছি টেকনিশিয়ান বন্ধুদের সহযোগিতা পাব।”
এই আলোচনার পরেই সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্ম বিরতির পথে হাঁটলেন পরিচালকরা। তারা জানিয়ে দিয়েছেন অধিকাংশ পরিচালক ও সদস্যদের আবেগ ও মতামত নিয়ে সংগঠনের কার্যকারী সমিতি ২৯ শে জুলাই থেকে যতদিন না পর্যন্ত পরিচালকদের সমস্যা সমাধান হচ্ছে ততদিন বাংলার সমস্ত বাংলা ভাষার শুটিং বন্ধ থাকবে।


টলিপাড়ার অচলাবস্থা কাটবে কবে? শেষমেশ মমতার হস্তক্ষেপেই সমাধান!

টলি পাড়ার এই সমস্যা নিয়ে অনেকেই এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তারা মনে করেন ফেডারেশন এবং পরিচালক সংগঠনের মধ্যে যে বিবাদ তা একমাত্র ঠিক করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। বিগত দিনের মত এবারও তিনি হয়তো এই সমস্যায় নিজের হাত বাড়িয়ে দেবেন বলেই মনে করছেন টলিপাড়ার অনেকেই।







