নজরবন্দি ব্যুরোঃ সার্বিক টীকাকরণের লক্ষ্যে রাজ্যের মানুষকে দুই বিভাগে বণ্টন স্বাস্থ্য দপ্তরের। দেশের মোট রাজ্যেও উদ্বেগজনক করোনা পরিস্থিতি। একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হচ্ছেন কুড়ি হাজারের বেশী মানুষ। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও ১৫০ ছুঁইছুঁই। এমন অবস্থায় ব্যাপকহারে ভ্যাকসিন প্রদানই করোনার বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন মোকাবিলার একমাত্র পথ। রাজ্যের ব্যাপক ভ্যাকসিন চাহিদা মেটাতে ইতিমধ্যেই গ্লোবাল টেণ্ডার জারি করার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুনঃ শীতলকুচি কাণ্ডের তদন্তে আগামীকাল এলাকা পরিদর্শনে সিআইডির বিশেষ দল।
তবে ভ্যাকসিন পাওয়া গেলেও এত সংখ্যক মানুষকে সুষ্ঠুভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া যথেষ্ট কঠিন কাজ। তাই ভ্যাকসিন প্রদানের কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য রাজ্যের মানুষকে দুটি বিভাগে বণ্টন করে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার।বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের টিকা পাওয়ার বিষয়টি দেখভাল করবে স্বাস্থ্য দফতরের অধীনে থাকা হাসপাতাল এবং সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। অন্য দিকে, যাঁদের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ানোর বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, সেই মানুষদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি দেখবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। বিষয়টি জেলাশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই দ্বিতীয় ভাগের সরকারি ও আধা সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের লোকজন। যাঁরা এখনও টিকা পাননি, এই ভাগে রয়েছেন রাজ্যের শিক্ষকরাও।
দ্বিতীয় ভাগে রয়েছেন রেশন ডিলার, কেরোসিন ডিলার, গ্যাসের ডিলার, পেট্রলপাম্পের কর্মীরা। রয়েছেন পরিবহণকর্মীরা, এর মধ্যে রয়েছেন ট্যাক্সি, অটো, টোটো ও রিকশাচালকরাও। আদালতের বিচারক থেকে মুহুরি সকলেই, সমস্ত হকার, যৌনকর্মীরা, বাজারের সমস্ত বিক্রেতারা এবং সংশোধনাগারের আবাসিকরা। নবান্ন সূত্রের খবর, এই দ্বিতীয় ভাগের সকলের টিকা পাওয়ার বিষয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব বিভিন্ন দফতরের মধ্যেই ডেটাবেস তৈরি, টিকাকেন্দ্রের ব্যবস্থার দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন।
সার্বিক টীকাকরণের লক্ষ্যে রাজ্যের মানুষকে দুই বিভাগে বণ্টন স্বাস্থ্য দপ্তরের। এছাড়াও করোনায় চিকিৎসা কর্মীদের চাহিদা মেটাতে শেষ বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়াদের করোনা যুদ্ধে নামানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, প্রায় ২ হাজার ৪৫০ জন পড়ুয়াকে কোভিড রোগীদের চিকিত্সা করার জন্য উত্সাহিত করা হচ্ছে।



