নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাওড়ার ভোটে স্পর্শ্বকাতর ৫০০ বুথ, এরিয়া ডমিনেশন শুরু হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। ভোট ঘোষণার আগে থেকে শুরু হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। একদিকে যখন কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ভোট ঘোষণার আগেই তখন ভোট ঘোষণার সময় দেখা গেল নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে ৮ দফায়! এরপরে মদ বিক্রি থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে কড়া নজরদারি শুরু করে কমিশন।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আরও ৫২৫ কোম্পানি! বিধানসভা পিছু সর্বোচ্চ ৬৭৫ জন সেনা মোতায়েন!
একদিকে চলছে যখন কড়া নজরদারি তখন অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার স্পর্শ্বকাতর বুথ চিহ্নিত করতে সচেষ্ট হল কমিশন। হাওড়া জেলাতে ভোট হবে দু’দফায়। এই জেলায় ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার। যার মধ্যে প্রায় ৫০০টি কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি যান গিয়েছে এই স্পর্শ্বকাতর ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়তে পারে ভবিষ্যতে।
প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সব রাজনৈতিক দলের সাথে কথা বলে এবং পুলিশের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে এই তালিকা তৈরি হয়েছে। আপাতত ৪৯৪ টি কেন্দ্র স্পর্শ্বকাতর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে হাওড়া জেলায়। যার মধ্যে ৩৯৯টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে হাওড়া গ্রামীন এলাকাতেই। সূত্রের খবর হাওড়া গ্রামীনের মধ্যে সবথেকে বেশি স্পর্শ্বকাতর বুথ রয়েছে বাগনান, আমতা, উদয় নারায়নপুর এবং ডোমজুড় এলাকায়। পাশাপাশি শহর হাওড়ায় স্পর্শ্ব কাতর ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ৯৫ টি।
হাওড়ার ভোটে স্পর্শ্বকাতর ৫০০ বুথ, কমিশন জানিয়েছে হাওড়া গ্রামীণে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ২৪৩২ এবং সদরে ৩১২৪টি। ইতিমধ্যে দু’কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে হাওড়ায়। শুরু হয়েছে এরিয়া ডমিনেশন। কমিশন সূত্রে খবর বিধানসভা পিছু ৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
প্রশ্ন হল এক কোম্পানিতে কতজন আধাসেনা থাকেন? উইকিপিডিয়া বলছে সেনাবাহিনীতে কোম্পানি পিছু সর্বনিম্ন ৮০ জন এবং সর্বোচ্চ ২২৫ জন সেনা থাকেন। অর্থাৎ প্রথম দফার নির্বাচনে এক একটি বিধানসভা পিছু সর্বনিম্ন ৮০ X ৩ = ২৪০ জন এবং সর্বোচ্চ ২২৫ X 3 = ৬৭৫ জন সেনা মোতায়েন থাকতে পারেন। পাশাপাশি বাড়ানো হচ্ছে মাইক্রো অবজার্ভারের সংখ্যাও।



