এবারের শনিবার সন্ধ্যা থেকেই রাজ্যজুড়ে পরিবর্তিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের প্রাদেশিক অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত। তিনি জানিয়েছেন, আগামী রবিবারও রাজ্য জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। এর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, ঝোড়ো বাতাস এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে তেলেঙ্গানা পর্যন্ত এক অক্ষরেখা রয়েছে, যার প্রভাবে প্রচুর জলীয় বাষ্প বঙ্গোপসাগর থেকে রাজ্যে প্রবাহিত হবে। এই কারণেই রবিবার রাজ্যজুড়ে অস্বাভাবিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
কলকাতায় সন্ধ্যার পর বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা। আংশিক মেঘলা আকাশ এবং কখনও পুরোপুরি মেঘলা আকাশ থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে কয়েক পশলা হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে।
দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া: আজ, শনিবার থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং ৪০-৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো বাতাস বইবে। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং নদীয়া জেলায় এই পরিস্থিতি থাকবে। কলকাতা-সহ বাকি এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো বাতাস এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরবঙ্গে আবহাওয়া: উত্তরবঙ্গের দার্জিলিঙে উঁচু পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাত হবে। সিকিমে এবং দার্জিলিঙের পার্বত্য এলাকায় আরও তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে বৃষ্টি চলবে সোমবার পর্যন্ত।
আবহাওয়ার সতর্কতা: শনিবার এবং রবিবার, উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা জেলাতে কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি।
এছাড়া, হাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে আগামী ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে ঝোড়ো বাতাস এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।



