অযোগ্যদের দলে লোক বাড়ছে, কমছে যোগ্যদের সংখ্যা, কমিশন যা বলল মাথায় বাজ পড়বে!

শিক্ষামন্ত্রীর ব্রাত্য বসুর ও স্কুল সার্ভিসের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার আজ বুঝিয়ে দিলেন যোগ্যের সংখ্যা ১৯২৯৬ নয় এমনকি ১৭,২০৬ ও নয়! এই সংখ্যার থেকেও অনেকটাই কম।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

সুপ্রিম কোর্টের চিহ্নিত করা ৬২৭৬ জন দাগি শিক্ষকের তালিকায় এবার যোগ হয়েছে আরও ২০৯০ টি নাম। তালিকা প্রকাশ না হলে কারা বেতন পাবেন, কারা স্কুলে যাবেন তা নির্ধারণ হবে কী ভাবে? প্রশ্নের জবাবে ব্রাত্য বসু বলেন, “আপনারা বলছেন আমরা যোগ্য-অযোগ্য নির্ধারণ করতে পারিনি। কিন্তু আপনারা যদি ১৭ তারিখের কেসটি দেখেন, যেখানে আমরা ক্ল্যারিফিকেশন চাই, সেখানে খুব পরিষ্কার করে ১৭২০৬ জন— তাঁরা যোগ্য। এটি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে।”

কিন্তু ব্রাত্য বসু এই মন্তব্য করার পরেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান যা বললেন তাতে মাথায় পাহাড় ভেঙে পড়ার অবস্থা হয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের। আচার্য সদনে ‘ঘেরাও’ হয়ে থাকা এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “আমাদের আধিকারিকেরা ১৭,২০৬ জনের মধ্যে কারা অযোগ্য সেই তালিকা প্রস্তুত করবে। প্রস্তুত হলে সেটি স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।”

অযোগ্যদের দলে লোক বাড়ছে, কমছে যোগ্যদের সংখ্যা, কমিশন যা বলল মাথায় বাজ পড়বে!

অযোগ্যদের দলে লোক বাড়ছে, কমছে যোগ্যদের সংখ্যা, কমিশন যা বলল মাথায় বাজ পড়বে!
অযোগ্যদের দলে লোক বাড়ছে, কমছে যোগ্যদের সংখ্যা, কমিশন যা বলল মাথায় বাজ পড়বে!

 

অর্থাৎ অযোগ্য বা বেনিয়মে চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের সংখ্যা বেড়ে গেছে। এতদিন যারা যোগ্য ভাবতেন নিজেকে, ব্রাত্য বসুর কথা অনুযায়ী তাঁদের থেকে কাটা গেল ২ হাজারের বেশি নাম। কিন্তু এখানেই যে শেষ নয় তা স্পষ্ট করলেন চেয়ারম্যান! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং পোষিত স্কুলগুলির মোট ২৫৫৭২ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল করা হয়েছে।

এই সংখ্যা অনুযায়ী ৬২৭৬ জন প্রার্থীকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই নিয়োগপ্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে প্যানেল বহির্ভূত নিয়োগ, র‍্যাঙ্ক জাম্প এবং ওএমআর কারচুপি। ১) প্যানেল বহির্ভূত নিয়োগ – ১৪৯৮ জন।  ২) র‍্যাঙ্ক জাম্প করা প্রার্থী – ৯২৬ জন। ৩) ওএমআর কারচুপি সত্ত্বেও নিয়োগপ্রাপ্ত – ৪০৯১ জন। ৪) যাঁদের নাম একাধিক অনিয়মে জড়িত (যেমন ওএমআর কারচুপি ও জালিয়াতি উভয়েই) – ২৩৯ জন। সুতরাং অযোগ্য নয় এমন প্রার্থীর সংখ্যা ছিল  ১৯২৯৬ জন।

শিক্ষামন্ত্রীর ব্রাত্য বসুর ও স্কুল সার্ভিসের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার আজ বুঝিয়ে দিলেন যোগ্যের সংখ্যা ১৯২৯৬ নয় এমনকি ১৭,২০৬ ও নয়! এই সংখ্যার থেকেও অনেকটাই কম। সেই সংখ্যাটা বোঝা যাবে স্কুল শিক্ষা দফতরের কাছে যখন তালিকা পাঠাবে কমিশন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত