বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জনের চাকরি, ৩৫ জন ভিনরাজ্যের। কেন? আন্দোলনে বাংলা পক্ষ।

বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জনের চাকরি, ৩৫ জন ভিনরাজ্যের। কেন? আন্দোলনে বাংলা পক্ষ।
বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জনের চাকরি, ৩৫ জন ভিনরাজ্যের। কেন? আন্দোলনে বাংলা পক্ষ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জনের চাকরি, ৩৫ জন ভিনরাজ্যের। কেন? এই প্রশ্ন সামনে রেখে আন্দোলনে নামল বাংলা পক্ষ। গত তিন বছর ধরে সংগঠনটি বাংলার সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে লড়াই করছে। বাংলা পক্ষ হুগলি জেলার তরফ থেকে হুগলি জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র চুঁচুড়ার বিদ্যুৎ ভবন এর সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং পথসভা করা হল। সংগঠনের মূল অভিযোগ রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে বেশিরভাগ ভিন রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষক নিয়োগে বড় খবর, তালিকায় নাম না থাকলেও চাকরি পাওয়ার সুযোগ।

বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জনের চাকরি, বেশিরভাগই ভিন রাজ্যের। এই বিতর্কিত নিয়োগ প্রকাশ্যে আসার পর বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার পক্ষ থেকে জয়েনিং সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। নিয়োগ স্থগিত হওয়ার ফলে কিছুটা আশার আলো দেখছে বাংলা পক্ষ। সংগঠনের বক্তব্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রেখে বাঙালীদের বিভ্রান্ত করা যাবে না, অবিলম্বে এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে নতুন ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে যাতে বাংলার ভূমিপুত্ররা অগ্রাধিকার পায়।

হুগলি জেলা সম্পাদক দর্পণ ঘোষ জানিয়েছেন, “ভারতের কোন রাজ্যে এভাবে রাজ্যের ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে ভিন রাজ্য থেকে চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ করা হয় না, বাংলা ভারতের মধ্যে ব্যতিক্রম হতে পারে না। রাজ্যের সরকারি বেসরকারি সব কাজে বাঙালি তথা বাংলার ভূমিজ জাতির চাকরিপ্রার্থীদের অধিকার বুঝে নিতে আন্দোলন চলবে। সব রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই রাজ্যের প্রধান ভাষার লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে সেই রকম কোন নিয়ম মানা হয়নি।” একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, “বাংলার চাকরিতে ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবিতে আন্দোলন তীব্রতর হবে।”

বিদ্যুৎ দপ্তরে ৪৭ জনের চাকরি, ৩৫ জনই ভূমিপুত্র নন! 

সংগঠনের সদস্য মনন মন্ডল জানিয়েছেন, “বিদ্যুৎ দপ্তর সহ বাংলার মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন পদে হাজার হাজার অবাঙালি নিয়োগ হচ্ছে, অথচ বাঙালীদের ভুল বোঝানো হচ্ছে যে বাংলায় নাকি চাকরি নেই, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বেসরকারি কোম্পানি সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের RPF, BSF, CISF, CRPF ইত্যাদি পদে লক্ষ লক্ষ ভিন রাজ্যের অবাঙালি কাজ করে বাংলার মাটিতে এই প্রত্যেকটা পদে প্রথম অধিকার বাঙালির।”

জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগঠনের সদস্যরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং বক্তব্য রেখেছেন। উপস্থিত ছিলেন দেবাজ্যতি চাটার্জী, অমিত কুমার বসু, অদিতি ঘোষ পুরকায়স্থ, দীপঙ্কর চক্রবর্তী প্রমুখরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here