আদালতের নির্দেশনামা অনুযায়ী রবিবার আই এস এফের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১০০০ জন নিয়ে সভা করা যাবে। কিন্তু দেখা গেল মাত্র ২০ জন উপস্থিত হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন, কয়েকজন রাজ্য কমিটির সদস্য এবং অফিস পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন। আদালত নির্দেশ দেয় আড়াইটে থেকে সভা করা যাবে। ঠিক ২ টো ৩১ মিনিটে শুরু হয় সভা। তবে এমন মুহুর্ত কখনও দেখেনি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম।

আরও পড়ুন : উদ্বোধনের দিন রাম মন্দির উড়িয়ে দেবার ছক দুষ্কৃতীদের! গ্রেফতার দাউদ গ্যাংয়ের ১ সদস্য
এই নেতাজি ইন্ডোরে সভা অথচ মাত্র ২০ টা আসন পুর্ণ। যদিও নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “আমার কাছে সব কর্মীর গুরুত্ব রয়েছে। তাই এখানে কোন কর্মী নয়। সবাই লাইভে দেখছেন সভা।” ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে আইএসএফ সভা করতে চেয়েছিল। তবে তাতে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। হাইকোর্টের একক বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে সভার অনুমতি দিলেও, প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ তা খারিজ করে দেয়। বদলে কোন ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সভা করতে বলা হয়। রবিবার সেই সভা থেকে নওশাদ সিদ্দিকী বলেন,

ইচ্ছে অভিষেককে হারানোর, নওশাদের সভায় লোক হল মাত্র ২০ জন
“কারা বাইরে থেকে লোক এনে কী করে সেটা সিসিক্যামেরা দেখলেই দেখা যাবে। আমাদের ভাঙড়েই যা লোক আছে, তাতে ওইরকম বিজয়গঞ্জ বাজারের মাঠ চারটে ভরিয়ে দিতে পারি। আমাদের অনুষ্ঠান আটকানোর জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। আর চোরদের বাঁচাতে আদালতে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে রাজ্য সরকার।” এদিন নওশাদ সিদ্দিকী বলেছেন, গত ২ মাস ধরে কলকাতায় দলের প্রতিষ্ঠাদিবসের অনুষ্ঠানের জন্য কর্মীরা লড়াই করেছেন। তবে আগামী দিনে হবেই এই সভা।




