রাজ্যের হস্তক্ষেপ চাইছে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অমর্ত্য সেন ইস্যুতে রাজ্যের সহায়তা চায় বিশ্বভারতী।

রাজ্যের হস্তক্ষেপ চাইছে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অমর্ত্য সেন ইস্যুতে রাজ্যের সহায়তা চায় বিশ্বভারতী।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের হস্তক্ষেপ চাইছে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অমর্ত্য সেন ইস্যুতে রাজ্যের সহায়তা চায় বিশ্বভারতী। বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না বিশ্বভারতীর। প্রতিদিন উঠে আসছে নতুন নতুন অভিযোগ। আন্দোলন, বিতর্কে কার্যত জেরবার বিশ্বভারতী। গত মাসেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল অমর্ত্য সেনের বাড়ির জায়গা নিয়ে, বিভিন্ন মহলের সমালচনার পর সেই বিতর্ক আরও একধাপ উস্কে এবার রাজ্যের দিকে মোড় ঘোরাতে চাইছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ভোটার হলেন মুকুল–স্বপন, প্রার্থী হওয়া নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে

গতকালই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অমর্ত্য সেন এর বাড়ি বিতর্কে রাজ্যের হস্তক্ষেপের কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্বভারতীর তরফে বলা হয়েহে অমর্ত্য সেনের বিরুদ্ধে জমি দখলের যে অভিযোগ উঠছে রাজ্য চাইলে তাঁর সহজ নিস্পত্তি করতে পারে। রাজ্য চাইলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমি সংস্কার দফতর থেকে সার্ভেয়ার এনে জমি মাপিয়ে নিলেই সমাধান হবে সব সমস্যার। বিশ্ববিদ্যালয় এইমুহুর্তে দ্রুত মিমাংসার দিকে হাঁটতে চাইছে, এবং চাইছে রাজ্যের দ্রুত হস্তক্ষেপ। বিশ্বভারতীর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এদিন জানান হয়েছে বিশ্বভারতীর ১১৩০ একর জমির মধ্যে প্রায় ৭৭ একর বেআইনিভাবে দখল হয়ে গেছে।

বেশ দীর্ঘ দিন ধরেই নানা ইস্যু তে জেরবার বোলপুর। তার মধ্যে  অমর্ত্য সেন এর নামে জমি দখলের অভিযোগ  ওঠে, যে সেন এর বাড়ি প্রতীচীর কিছু অংশ বিশ্ববিদ্যালয় এর। এই অভিযগের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। অমর্ত্য সেন নিজে জানান,” ওদের যদি সত্যিই কোনও কমপ্লেন থাকত তাহলে আমাকে চিঠি লিখবেন, এই জমির এই এই মাপ আপনি কী করে জানলেন? ৫০ বছর বাদে বাড়িটি, তাঁর অফিস থেকে বলা হচ্ছে, বাড়িটায় কিছু গন্ডগোল আছে। তাঁরা কী করে আবিষ্কার করলেন? প্রমাণ কী? আপনাদের কী কাগজ আছে? এ বিষয়ে আমি অবশ্য আমার আইনজীবীকে বলেছি, এখনই কিছু করছি না কিন্তু নিশ্চয়ই করব। “

 এই নিয়ে জলঘোলা ও হয়েছে অনেক।  বোলপুরে গিয়ে এর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধন্যবাদে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা চিঠিও দেন অমর্ত্য সেন। তাঁর মধ্যেই আবার শনিবার জমির মাপজোক সঙ্ক্রান্ত বিষয় তুলে এনে রাজ্যের হস্তক্ষেপের কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয়।  ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব অশোক মাহাতো বলেন, ক্যাম্পাসে অনেকে বাস করছেন প্রফেসর সেন যেমন থাকেন, সেখানে কাউকে আলাদা ছাড় দেওয়া তো যায়না।

রাজ্যের হস্তক্ষেপ চাইছে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। অমর্ত্য সেন ইস্যুতে রাজ্যের সহায়তা চায় বিশ্বভারতী। এ বিষয়ে এখনও রাজ্যের প্রতিক্রিয়া জানা না গেলেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশ্বভারতীর জমি নিয়ে রাজ্যের দায় পড়েনি। বিশ্বভারতী করার জন্য বহু মানুষ জমি দিয়েছিলেন। তারা এখন জমি ফেরত চাইছেন। আগে তাদের জমি বিশ্বভারতী ফেরাক। পরে অমর্ত্য সেন জমি চাওয়া হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x