নজরবন্দি ব্যুরোঃ যত সময় যাচ্ছে ততোই কংগ্রেস বনাম তৃণমূলের সংঘাত বাড়ছে। দেশে বিজেপি বিরোধী ঐক্যর ক্ষেত্রে এই দুটি দলকে নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তারা কি একসঙ্গে থাকবে? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা যখন এই নিয়ে দ্বন্দ্বে ঠিক তখনই তৃণমূল দেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে তার অবস্থান স্পষ্ট করল। এদিন রাজ্যসভায় তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন সংসদের ভেতরে বিরোধিতার ইস্যুতে সমন্বয় থাকবে।
আরও পড়ুনঃ বাংলার জেরক্স কপিতে গণতন্ত্রের জয় ত্রিপুরায়! মিডিয়ায় তৃণমূল হলেও দ্বিতীয় স্থানে বামেরাই
কিন্তু তৃণমূল আর পাঁচটা দলের মতো কংগ্রেসের জোট সঙ্গী নয় তৃণমূল। তাই কিছুটা পার্থক্য তাদের ক্ষেত্রে থাকবেই। সংসদের বাইরে তাদের বিবেধ থাকলেও সংসদের ভেতরে এতদিন পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে চলছিল তৃণমূল। কিন্তু আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে সেটা আদৌ সম্ভব হবে কিনা সে নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
তৃণমূল ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে অধিবেশন শুরুর আগে কংগ্রেসের ডাকা বৈঠকে হাজির থাকবে না তৃণমূল। রাজ্যসভার কংগ্রেস দলনেতা মল্লিকার্জুন বিরোধী দলকে নিয়ে বৈঠক ডেকেছ। সুত্রের খবর সেই বৈঠকে সম্ভবত গরহাজির থাকবে মমতার তৃণমূল। আর এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ঠিক কি কারণে তৃণমূল এই বৈঠকে যোগ দেবে না।
এখানেও দলের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ডেরেক। টুইট করে নেতা জানিয়েছেন, একটা বিষয়ে নজর রাখতে হবে যে আরজেডি ডিএমক, সিপিআই এবং সিপিএম এরা সকলেই কংগ্রেসের জোট সঙ্গী এনসিপি, শিব সেনা এবং ঝাড়খন্ড জনমুক্তি মোর্চা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে সরকার চালায়। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের জোট সঙ্গীও নয় আর কংগ্রেসের সঙ্গে সরকারও চালায় না।
নতুন সমীকরণ, কংগ্রেসের জোটসঙ্গী নয় তৃণমূল, স্পষ্ট করে দিলেন ডেরেক
তাই এটাই হলো অন্যান্য দলের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান পার্থক্য। এদিকে কংগ্রেস সূত্রের খবর, বিরোধী বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতির খবর পেয়ে সামান্য হলেও বিচলিত খোদ সোনিয়া গান্ধী। তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন মল্লিকার্জুন খাড়গেকে। প্রয়োজনে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।



