নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতার শহিদ স্মরণে আছে আনন্দর নাম, আর সেই কারণেই এবার স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে মিথ্যেবাদী বললো তৃণমূল কংগ্রেস।গত পরশু চতুর্থ দফার ভোটের দিন থেকেই শিতলকুচি কাণ্ডে তোলপাড় বাংলার রাজ্য রাজনীতি। ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ জন সাধারণ মানুষ। ঘটনার নিন্দায় সরব গোটা রাজ্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কালই ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশের আগামী ৭২ঘণ্টা কোচবিহারে যেতে পারবেন না কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। সেই মত গত কাল জলপাইগুড়িতে বসেই ভিডিও করে কথা বলেন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে।
আরও পড়ুনঃতৃণমূল নেতা শিক্ষক নিয়োগে ‘মাল তুলেছে’, মমতা হল বেগম খালেদা জিয়া! শুভেন্দু উবাচ
মমতার সাংবাদিক বৈঠক এবং নিহিতদের পরিবারের সঙ্গে কথপকথনের পরেই অমিত শাহ্ বলেছিলেন এই মৃতুতেও ‘তোষণের’ রাজনীতি করছেন মমতা। তাঁর অভিযোগ ছিল বারবার নিহত চার সংখ্যালঘু যুবকের কথা বলা হলেও রাজবংশী যুবক আনন্দও বর্ধনের কথা উল্লেখ করেনি তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রী। দিনভর এই অভিযোগের পাল্টা দিয়েছে তৃণমূল।
গতকালই রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় জানিয়েছেন, “২৪ ঘণ্টা অমিত শাহ কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। এখন শাক দিয়ে মাছ ঢাকছেন। মিথ্যাচার করছেন উনি। বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুধু চারজনের কথা বলছেন। বাকি একজনের কথা বলছেন না। এটা মিথ্যা। কারণ, উত্তরবঙ্গের সভা থেকেই এদিন মুখ্যমন্ত্রী পাঁচজনকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।সভামঞ্চে থাকা শহিদ তালিকায় আনন্দ বর্মনের নামও বলেছেন তিনি। অমিত শাহ নিজে কি এই পাঁচজনের নাম উল্লেখ করেছেন?” এবং দলের তরফ থেকে সভা মঞ্চের সেই চিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে।
তার সঙ্গেই জানানো হয়েছে, আনন্দ বর্মন কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ না হারালেও নির্বাচনী হিংসার বলি, তাই তাঁকেও যোগ্য সম্মান দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের শাসক দলের তরফ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোন ভিডিও ফুটেজ কেন পাওয়া যাচ্ছেনা, কথা ছিল ড্রোণ ওড়ানোর, তারইবা কী হল, সবই কী ধাপা চাপা দেওয়ার প্রক্রিয়া বলেও প্রশ্ন উঠেছে। ডেরেক’ও ব্রায়েন টুইটারে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘ঠগ, জালিয়াত, মিথ্যাবাদী’।



