নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ শনিবার ৭৩তম জন্মবার্ষিকী কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন জনপ্রিয় এই লেখক। হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা তিন শতাধিক। তাঁর লেখা অন্যতম উপন্যাসগুলো হলো ‘নন্দিত নরকে’, ‘মধ্যাহ্ন’, ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘মাতাল হাওয়া’ ইত্যাদি। তাঁর লেখা উপন্যাসের জনপ্রিয় চারটি চরিত্র হলো হিমু, রুপা, মিসির আলী ও শুভ্র।
আরও পড়ুনঃ Covid19 Update: দেশে একদিনে করোনায় মৃত ৫৫৫, আক্রান্ত ১১,৮৫০
ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও গীতিকার হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ যেমন জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, তেমনি নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করেও লাখো মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘আগুনের পরশমণি’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘চন্দ্রকথা’ ও ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ইত্যাদি। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘অয়োময়’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘আজ রবিবার’ ইত্যাদি।
তিনি প্রায় 40টি গান রচনা করেছিলেন যা তিনি তার চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন নাটকে ব্যবহার করেছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গানগুলির মধ্যে রয়েছে “লীলাবালি লীলাবালি ঘোড়ো জুবোথি শোই গো”, “পুবালি বাতাসে”, “একতা ছিল সোনার কন্যা”, “ও আমার উরাল পঙ্খি রে”, “জোড়ি মন কাদে”, “কে পোড়াইলো আমার চোখ-ই কলঙ্কো কাজল”। , “চাদনি পোশোর রাইতে কে আনায় শোরন কোরে”, “আমি আজ ভেজাবো চোখ সমুদ্রের জলে”, “চলোনা বৃষ্টিতে ভিজি”, “চান্নি পোষার রাইতে জেনো আমার মরন হয়”, “হাবলঙ্গার বাজারে গিয়া” এবং “কন্যা নাচিলো রে”।
চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে অধ্যয়ন করেন। ১৯৬৫ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, এরপর ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে হুমায়ূন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার রসায়নে পিএইচডি করে তিনি বাংলাদেশে ফিরে বেশ কয়েক বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে অধ্যাপনা করেন। পরে অধ্যাপনা ছেড়ে দিয়ে লেখালেখিতে নিয়মিত হন তিনি।
১৯৪৮ সালেই জন্মেছিলেন তিনি, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জন্মবার্ষিকীতে শ্রন্ধাঞ্জলি

বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি এই লেখক ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯ জুলাই পরলোকগমন করেন।



