নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠক নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। এবিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানিয়েছেন, বুধবার মন্ত্রীসভায় বদল হতে চলেছে। সেই বৈঠকের শেষে তৃণমূলের জেলা পদাধিকারীদের একাধিক রদবদল করল তৃণমূল। এ থেকেই স্পষ্ট, তৃণমূলের নজরে পঞ্চায়েত নির্বাচন রয়েছে। তাই শুধুমাত্র মন্ত্রীসভা নয়, জেলা সংগঠনেও রদবদল করল তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ Cabinet Reshuffle: ৪-৫ জনকে সরাব, দলের কাজে নিয়ে যাব, ৫-৬ জনকে নিয়ে আসব, জানালেন মমতা
শুরু থেকেই দার্জিলিংকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসেছে তৃণমূল। সেইমতো দার্জিলিংয়ে ২ টি সাংগঠনিক জেলা ঘোষণা করল তৃণমূল। পাহাড়ের সভাপতি করা হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ শান্তা ছেত্রিকে। আর সমতলে সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন পাপিয়া ঘোষ। তাঁকেই রেখে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ ও বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক শাঁওনি সিংহ রায়কে। বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। এর আগে এই দায়িত্বে ছিলেন বারাসত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনী মুখোপাধ্যায়। দলের মধ্যে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন। তাই তাঁকে সরিয়ে কাকলীকেই ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূলের হাইকম্যান্ড।

তবে দমদম ও ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদে এখনও অবধি কারোর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আগের মতোই রয়েছেন পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসকে। গোপাল শেঠকে সরিয়ে বিজেপি থেকে আসা বিশ্বজিৎ দাসকে গুরুত্ব দিল তৃণমূল।
তৃণমূলের ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই নেতাকে মন্ত্রীপদে আনা হতে পারে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোরালো জল্পনা।
নজরে পঞ্চায়েত নির্বাচন, কাদের বদল করবেন মমতা?

হুগলির জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক স্নেহাশিস চক্রবর্তীর জায়গায় জেলা সভাপতি পদে আনা হল অরিন্দম গুঁইকে। শোনা যাচ্ছে মন্ত্রীপদে আসতে পারেন স্নেহাশীষ। দক্ষিণ দিনাজপুরে উজ্জ্বল দে বসাকের জায়গায় তৃণমূলের নতুন জেলা সভাপতি হলেন মৃণাল সরকার।



