Supreme Court: কাল অভিষেকের সভার অনুমতি নেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।

Supreme Court: কাল অভিষেকের সভার অনুমতি নেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।
Supreme Court: কাল অভিষেকের সভার অনুমতি নেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সকাল থেকেই ক্রমাগত রাজনৈতিক উত্তাল শুরু হয়েছে ত্রিপুরাকে ঘিরে৷ পুরভোটের আগে তৃণমূল বনাম বিজেপি সংঘর্ষে বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সায়নী ঘোষকে গ্রেফতারের পর সেই আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশে। এরই মধ্যে শেষ মুহুর্তে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার অনুমতি না দিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত আরও একধাপ বাড়াল ত্রিপুরা প্রশাসন। অন্যদিকে ত্রিপুরায় আইন শৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ Tripura Election: বর্বোরচিত ঘটনা, সায়নি ঘোষের গ্রেফতারিতে তীব্র নিন্দা সিপিআইএমের!

সোমবার ত্রিপুরায় সভার কথা ছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু রবিবার রাতেই তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিপ্লব দেবের সরকার৷ যদিও সোমবার নয়, সায়নী ঘোষকে গ্রেফতারের পর রবিবারেই ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে চেয়েছিলেন অভিষেক। বিমানবন্দরে পৌঁছেও বিশেষ বিমানে যাওয়ার অনুমতি পেলেন না তিনি। তাই সোমবার পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার সকালেই উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার ও অনুমতি দিল না প্রশাসন।

ইতিমধ্যেই সকাল থেকে একের পর এক তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর ঘটনায় আগামীকাল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল। অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও বিরোধীদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে শাসক দল৷ যা দেখে মুখে কুলুপ এঁটেছে প্রশাসন৷ পুর ভোটের প্রাক মুহুর্তে পুরো ছবিটাই আদালতের সামনে তুলে ধরতে চায় তাঁরা।

কাল অভিষেকের সভার অনুমতি নেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।

Supreme Court: কাল অভিষেকের সভার অনুমতি নেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।
Supreme Court: কাল অভিষেকের সভার অনুমতি নেই, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল।

অন্যদিকে, ত্রিপুরা ইস্যুতে আগামীকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করার কথা তৃণমূলের সাংসদদের। ইতিমধ্যেই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন ১৫ জন সাংসদ। আগামীকাল থেকে ধর্না শুরু করবেন তাঁরা। সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার এবং ত্রিপুরায় একের পর এক হিংসার ঘটনায় সরব হয়েছে বামেরা। ‘অনৈতিকভাবে’ সায়নী ঘোষের গ্রেফতারীতেও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ত্রিপুরা সিপি(আই)এম। সব মিলিয়ে ত্রিপুরা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। আগামী নির্বাচনে কোন দিকে বইবে হাওয়া? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের৷