নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার জাহাঙ্গীরপুরে বেআইনি বাসস্থানের অভিযোগে সমস্ত ভাঙার অভিযোগে ভাঙার অভিযানের ঘটনায় সারা দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এরপরেই দলনেত্রীর নির্দেশ পেয়ে জাহাঙ্গীরপুরে উপস্থিত হচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। যার নেতৃত্বে থাকছেন বারাসাতের সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার।
আরও পড়ুনঃ দুস্থ ও মেধাবী ছাত্রীর স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলো পুলিশ কর্মীরা


তৃণমূল সূত্রে খবর, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলবেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়, প্রতিমা মন্ডল এবং প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষ।
উল্লেখ্য, শনিবার হনুমান জয়ন্তীর দিন দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে তুমুল বাঁধে। একটি শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী এলাকা। ইটবৃষ্টি, গাড়ি ভাঙচুর থেকে গুলি পর্যন্ত চালানো হয়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে ২৩ জনকে। তাঁদের একজনের নাম মহম্মদ আনসার। ঘটনায় অভিযুক্ত আনসার, সালিম, ইমাম শেখ, দিলসাদ ও আহিরের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে আমলা দায়ের করা হয়।



জাহাঙ্গীরপুরীর ঘটনার পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি অধেশ গুপ্তা চিঠি দিয়ে জানান ওই জায়গায় বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিযুক্তরা। এরপরেই বিজেপির পরিচালিত উত্তর দিল্লির পুরসভার তরফে ভাঙার কাজ শুরু হয়। এমনকি পুলিশের সাহায্য নেয় পুরসভা। প্রায় ৪০০ পুলিশ অফিসার চাওয়া হয়।
দলনেত্রীর নির্দেশ, জাহাঙ্গিরপুরীতে যাচ্ছে তৃণমূল

এরপরেই বেআইনি নির্মাণ ভাঙার কাজে নামে পুরসভা। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়। আদালতের নির্দেশনামা নিয়ে উপস্থিত সিপি(আই)এম নেত্রী বৃন্দা কারাত। প্রায় দু’ঘন্টা ধরে চলে উত্তেজনা।







