নজরবন্দি ব্যুরো: বর্ষবরণের দিনে তৃণমূল ভবনে ২৩তম প্রতিষ্ঠাদিবস পালন করলেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সেইসঙ্গে রাজ্যবাসীকে এবং দলের সমস্ত কর্মী-সমর্থককে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে টুইট করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, বার্তা দিলেন লড়াই করার। ১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল ।
আরও পড়ুন: ২০২১ ভাল কাটাতে দেশবাসীকে বার্তা। পাশে থাকার কথা জানালেন মোদি-রাহুল।
সকালে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সি। প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং শান্তনু সেন। শুক্রবার দলের জন্মদিবসে সকালেই নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজ তৃণমূল ২৩ বছরে পড়ল। ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি আমরা সফর শুরু করেছিলাম’। মমতা জানান, অনেক লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগোতে হয়েছে দলকে। কিন্তু রাজ্যবাসীর জন্য কাজ করার যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছেন, তাতে তিনি অবিচল থাকবেন। বাংলার উন্নয়নের জন্য মা-মাটি-মানুষ এবং দলের কর্মী-সমর্থকরা যে ভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন তার জন্যও তিনি কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন মমতা। ২১ এর নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে রাজ্যের শাসক দল ও বিরোধী দল।
আক্রমণ ও তাঁর পালটা আক্রমণের পালা চলছে। আর এই নিয়েই রাজ্য-রাজনীতি সরগরম। তবে এই নির্বাচনে জিতলেই যে দলের কাজ শেষ, এমনটা নয় বলেই জানিয়েছেন সুব্রত বক্সি। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটকে ‘পাখির চোখ’ করে এগোতে চাইছে তৃণমূল। বক্সি বলেন, “২০২১ সালের নির্বাচন নিয়ে আমরা ভীত নই। কিন্তু এই নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে বাংলার মানুষকে সংঘবদ্ধ করে সংবিধান বাঁচানো রক্ষার দায়িত্বে নেমেছি। ভারতবর্ষের সংবিধানকে ধ্বংসের যে প্ৰচেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধেই লড়াই আমাদের।”
২৩ শে পা তৃণমূলের, তিনি আরও বলেন, “একটা নির্বাচন জিতলেই আমাদের কাজ শেষ হয়ে যায় না। এই নির্বাচনের দিকে সারা দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ভারতের সংবিধান রক্ষা করা হবে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ২০২৪। ভারতের সংবিধান ধ্বংসকারী শক্তিকে পরাস্ত করাই হবে আমাদের লক্ষ্য।”



