আরজি কর হাসপাতালের যুবতী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা রাজ্যের রাজনীতিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। সেই সময় পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন তৃণমূলের ‘আদি’ চিকিৎসক নেতারা। শাসকদলের অন্দরমহলে এই নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর মতেও চিকিৎসক নেতাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব এবং কৌশলের অভাব পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছিল।
চিকিৎসক সংগঠনে তৃণমূলের নতুন রণনীতি: তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবার চিকিৎসক সংগঠনে পরিবর্তনের পথে। দলের পুরনো চিকিৎসক নেতাদের বদলে নতুন মুখকে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান ১৪ জন চিকিৎসক-বিধায়কের মধ্যে তিন জনকে নেতৃত্বের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। নতুন নেতৃত্বকে সংগঠন শক্তিশালী করার পাশাপাশি দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার দায়িত্ব দেওয়া হবে।


কেন প্রয়োজন নতুন নেতৃত্ব? – আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার সময় শাসকদলকে ভেতরে-বাইরে চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। দলের চিকিৎসক সংগঠন পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থ হয়। পুরনো চিকিৎসক নেতাদের পারস্পরিক বিভাজন দলের অস্বস্তি বাড়ায়। নেতৃত্বের অভাব এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব দলের অন্দরেই ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, নতুন এবং উদ্যমী চিকিৎসকদের নেতৃত্বে আনা হলে সংগঠন আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে।
দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মন্তব্য: তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী আগেই ব্যক্তিগতভাবে দলের চিকিৎসক নেতাদের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি মনে করেন, পুরনো নেতৃত্বের বদলে নতুন নেতৃত্ব আনা অত্যন্ত জরুরি। শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে এবার চিকিৎসক সংগঠনেও নতুন রূপ দেওয়া হবে।
নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের চিকিৎসক সংগঠনের প্রধান কাজ হবে:


১) স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতে তৃণমূলের কর্মসূচি কার্যকর করা।
২) স্বাস্থ্যখাতে সরকারের সাফল্যের প্রচার করা।
৩) চিকিৎসকদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ নেতৃত্ব গড়ে তোলা।
৪)জনসাধারণের মধ্যে আস্থা পুনঃস্থাপন।
পুরনো নেতারা দল থেকে সরবেন না, তবে তাঁদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সীমাবদ্ধ করা হবে। নতুন নেতৃত্বকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হবে নিজেদের প্রমাণ করার।







