নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক মাসের বেশি হতে চলল সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু। কিন্তু এখনো দেশ জুড়ে চলছে তাঁর মৃত্যু নিয়ে প্রতিবাদ। সুশান্ত ফ্যানদের বক্তব্য অভিনেতা আত্মহত্যা করেন নি এই মৃত্যুর পিছনে রয়েছে অন্য কোন কারণ। যা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবী জানিয়ে দেশ জুড়ে চলছে প্রতিবাদ। এই সবের মধ্যেই সুশান্তের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত জারি রেখেছে মুম্বাই পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) এই মামলায় পুলিশের জেরার মুখে পড়লেন সুশান্তের সাইকিয়াট্রিস্ট (মনোরোগ বিশেষজ্ঞ)।
আরও পড়ুনঃ খেলরত্ন সম্মান থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিতে অনুরোধ ভাজ্জির! কেন?


পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে মৃত্যুর মাস ছয়েক আগে থেকেই ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন সুশান্ত। সেই সময় একাধিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম মুম্বাইয়ের প্রখ্যাত মনোবিদ করসি চাবরা। শুক্রবার ১৭ জুলাই বান্দ্রা থানায় তলব করা হয়েছিল তাকে। সুশান্তের মানসিক অবস্থা, তার ডিপ্রেশন সম্পর্কে খোঁজ নিতেই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলো করসি চাবরাকে। এদিন আরও এক চিকিত্সককে জেরা করে মুম্বাই পুলিশ।
তবে তার পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি।এক সংবাদমাধ্যমের সূত্রে মারফত জানা গিয়েছে, পুলিশি জেরায় ওঠে এসেছে গত বছর অক্টোবর মুম্বাইয়ের এক হাসপাতালে মানসিক অবসাদের চিকিত্সার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন সুশান্ত। গত এক বছরে প্রায় ৫ জন মনোবিদের পরামর্শ নিয়েছেন তিনি। জেরায় চিকিত্করা জানিয়েছেন, মানসিকভাবে ভীষণ বিধ্বস্ত ছিলেন সুশান্ত। রাতে ঘুম হতো না তার। সবসময় তার ভেতর সংশয় ও দোটানা ভাব কাজ করতো এবং কোনো বিষয় নিয়ে প্রায়ই সন্দেহ কাজ করত তার মনে। মনোবিদদের সঙ্গে কাউন্সিলিংয়ের সময় সঙ্গে থাকতেন বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীও।
সুশান্তের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছু তথ্য পুলিশকে দিয়েছেন চিকিত্সকরা। তবে তা এখনও যথাযথ মনে করছেন না মুম্বাই পুলিশ। প্রধান চিকিত্সকের পাশাপাশি সুশান্তের আরও তিন চিকিত্সকের বয়ানও রেকর্ড করবে পুলিশ। সেইসব তথ্য যাচাই করে দেখা হবে, ফের কথা বলা হবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও।










