‘এটা শুধু ট্রেলার’, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ‘এটা শুধু ট্রেলার’, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ । শুক্রবার ইজরায়েলি দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণের পর রাতভর সেখানে তল্লাশি চলে। এরপর সেখান থেকে উদ্ধার হয় একটি প্যাকেট। পুলিশি সূত্রে খবর, ওই প্যাকেটের গায়ে একটি ছোট্ট নোট আটকানো ছিল। তাতে লেখা ছিল ‘এটা ট্রেলার মাত্র’। চিঠিটি ইজরায়েলি দূতাবাসের উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘটনার তদন্তের জন্য  ইজরায়েল থেকে বিশেষ তদন্তকারী দল আসার কথা রয়েছে। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করতে শনিবারই ওই দল দিল্লিতে পৌঁছবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই দিল্লি বিমানবন্দর-সহ বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গাবি আশকেনাজি-র কথা হয়েছে। দুই দেশই এই ঘটনার তদন্তে সাহায্য করার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের জের! বাতিল অমিত শাহর বঙ্গ সফর

শুক্রবারের বিস্ফোরণের পর ইতিমধ্যেই দিল্লি-মুম্বইয়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। IB এবং NIA-র তদন্তকারী অফিসাররা ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরক লেগে থাকা কিছু বল বিয়ারিং উদ্ধার করেছেন। একটি আধপোড়া গোলাপি দোপাট্টাও উদ্ধার হয়েছে। এই সব কিছু পাঠানো হয়েছে ফরেন্সিক তদন্তের জন্য। এর আগে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির ইজরায়েলি দূতাবাসের একটি গাড়িতে ‘স্টিকার বোমা’ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনার পিছনে ইরানের মদতেপুষ্ট জঙ্গিদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। শুক্রবারের বিস্ফোরণের পিছনেও ইরান-যোগ একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না ইজরায়েল। শুক্রবার বিকেলের এই বিস্ফোরণকেও তারা ‘জঙ্গি হামলা’ হিসাবেই এখনও দেখছে তারা ।

‘এটা শুধু ট্রেলার’, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ । শুক্রবার বিকেলে এপিজে আব্দুল কালাম রোডে অবস্থিত ওই দূতাবাসের সামনে স্বল্প তীব্রতার বিস্ফোরণ হয়। কেউ হতাহত হননি। তবে কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, দূতাবাসের প্রায় দেড়শো মিটার দূরে একটি আবাসনের সামনের ফুটপাথে প্লাস্টিকের প্যাকেটের মধ্যে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট জাতীয় বিস্ফোরক রাখা ছিল। ওই প্লাস্টিকের প্যাকেটের গায়েই আটকানো ছিল ওই চিঠি। যে জায়গায় বিস্ফোরণ হয়, সেটি দিল্লির উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। বিস্ফোরণস্থল থেকে ২ কিলোমিটার দূরে রাইসিনা হিলসের বিজয় চকে তখন ‘বিটিং রিট্রিট’ (প্রজাতন্ত্র দিবসের সমাপ্তি অনুষ্ঠান) চলছিল। হাজির ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাই নিরাপত্তার কারণে এলাকা ঘিরে বেষ্টনী তৈরি করে দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (সিআইএসএফ)।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন