নজরবন্দি ব্যুরো: একে আদালতের নির্দেশ। তার উপর যানজট ও বায়ুদূষণের মোকাবিলার দায়িত্ব। এই জোড়া কারণেই বিভিন্ন স্থানীয় রুটের বাসকে ধর্মতলা বাস স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে দিতে নারাজ রাজ্য সরকার। পরিবর্তে বিবাদী বাগ চত্বর থেকে মিনিবাস স্ট্যান্ড তুলে দেওয়ার সময়ে যে মডেল নেওয়া হয়েছিল, তা-ই কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে পরিবহণ দপ্তরের। সোমবার বেসরকারি বাসমালিকদের সেকথা জানিয়ে দিলেন পরিবহণ দপ্তরের কর্তারা।
আরও পড়ুন: ফের দলবদল, ভোটে জিতে বিপ্লব মিত্রর হাত ধরে CPIM থেকে তৃণমূলে
পাশাপাশি দূরপাল্লার বাস তাঁরা কোথায় রাখতে চান তা চিঠি দিয়ে বাসমালিকদের জানাতে বলা হয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশে এসপ্ল্যানেড এলাকা থেকে বাস টার্মিনাস সরানোর কথা বলা হয়েছে। তাই সেখান থেকে বাস টার্মিনাস সরিয়ে কেবলমাত্র যাত্রী ওঠানামার জন্য ব্যবহার করার ভাবনায় পরিবহণ দফতর। এত দিন ধর্মতলায় যাত্রা সম্পূর্ণ করার এবং সেখান থেকেই ফের যাত্রা শুরু করার যে ব্যবস্থা ছিল, তা আর চালিয়ে যাওয়া যাবে না।

বাসমালিক সংগঠনগুলি এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেও একাধিক অসুবিধার কথাও তুলে ধরেছে। সংগঠনগুলির অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে ধর্মতলা চত্বর থেকে নতুন বাসের পারমিট দেওয়া বন্ধ। ফলে, ধর্মতলা কেন্দ্রিক সব রুটেই বাস কমে আসছে। ‘সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিস’-এর সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহা বলেন, ‘২-৩ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রার শেষে চালক এবং কর্মীরা সাময়িক বিশ্রাম না পেলে আবার যাত্রা করা মুশকিল।
ধর্মতলায় আর থাকবে না বাস স্ট্যান্ড, জানাল পরিবহণ দফতর

এই অবস্থায় রুট বাড়িয়ে বাস অন্যত্র নিয়ে যেতে গেলে খরচ বাড়বে।’ উল্লেখ্য, ধর্মতলা তথা এসপ্ল্যানেড চত্বরের একটি বড় অংশ জুড়ে ওই বাস স্ট্যান্ড থাকার কারণে শহরে যানজট এবং দূষণ অনেকাংশে বাড়ছে বলে অভিযোগ। তাই সেখান থেকে ওই বাস স্ট্যান্ড সরিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। বর্তমানে ওই মামলা বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের এজলাসে বিচারাধীন।




