আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডে তোলপাড় গোটা দেশ। বিচারের দাবি চেয়ে রাস্তায় নেমেছে ডাক্তার থেকে আইনজীবী, শিল্পী থেকে বুদ্ধিজীবী, সকলে পথে নেমেছেন। তবে আন্দোলনের শুরু থেকেই চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে অন্যান্য মহলেও দাবি ছিল আরজিকরের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের পদত্যাগ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। এমনকি রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়ে হাই কোর্ট সুপ্রিম কোর্ট সর্বত্রই। প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা বা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। তাঁর দাবি সিস্টেমের মধ্যে থেকেই কি কেউ ষড়যন্ত্র করছেন।
রাজ্যে চিকিৎসকদের আন্দোলন ক্রমেই বৃহত্তর থেকে আরও বৃহত্তর হচ্ছে। তাঁদের একটাই বক্তব্য বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন কে কোন মতেই থামানো যাবেনা। এই আবহে মদন মিত্রের বক্তব্য, স্বাস্থ্য দফতরে শুধু নয় পুরো স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যেই পরনিন্দা-পরচর্চা চলছে। তাঁর কথায় যাদের আঁতে ঘা লাগছে তারাই ডাক্তারদের কানে বিষাক্ত কথা ঢুকিয়ে দিচ্ছে। যাতে আন্দোলন জারি থাকে। কারণ অধ্যক্ষের পদ তো অত্যন্ত লোভনীয়।


এছাড়াও ক্রমেই বাড়তে থাকা মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী আন্দোলন সম্পর্কে মদনের দাবি, সিস্টেমের মধ্যে যে কেউ আছেন, যিনি চাইছেন সরকার বিপদে পড়ুক। ষড়যন্ত্র তো আছেই। আর এই ষড়যন্ত্রকারীরা খুব মারাত্তক হয় যাদের মারলেও রাগ মিটবে না। তবে সিস্টেমের মধ্যে কারও থাকা প্রসঙ্গে আসলে কামারহাটির বিধায়ক কি দলের অন্দরের মনোমালিন্য কেই তুলে ধরতে চাইছেন। যদিও এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি।







