নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক যুবক একটা বস্তা পিঠে নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই যুবককে কেউ সেরম চিনত না। তার বস্তা এত ভারী ছিল যে সে হাঁটতে পর্যন্ত ঠিক করে পারছিলেন মা। তা দেখেই সঞ্জয় পালের সন্দেহ হয়। সঞ্জয় পাল মালবাজারের চেল কলোনির বাসিন্দা।
আরও পড়ুনঃ ৪৬ বছর বয়েসে বিকিনি পরে লাস্যময়ী রূপে ধরা দিল আমিশা! চরম ট্রোলড অভিনেত্রী


এরপর যুবকের সন্দেহ হওয়াতে তিনি বস্তাটি খুলে দেখেন। তার পর তিনি দেখতে পান বস্তার মধ্যে লোহার তার, প্রচুর বাসন পত্র, এবং অলংকার রয়েছে। তার সাথে সাথে পাওয়া যায় ওই পাড়ারই একটা মহিলার কয়েকটি স্ট্যাম্প সাইজের ফটো।

ওই মহিলার নাম জোৎস্না বর্মণ। তার পর ওই ব্যাক্তিকে মহিলা জোৎস্না বর্মণ এর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্ত করে জানা যায় ওই যুবকের নাম অমর সাহানি। এর পর যানা যায় ওই সমস্ত জিনিস সব গুলোই চুরি করা। জোৎস্না বর্মণ অন্যের বাড়িতে রান্নার কাজ করেন। সোমবার তিনি বাড়ি টালা দিয়ে সেই কাজেই বেড়িয়ে ছিলেন।
এর পর দুপুর ১ টা নাগাদ তিনি বাড়ি ফিরে এসে দেখেন তার ঘরের দরজার তালা ভাঙা। এর পর ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার বাড়ির অনেক জিনিস পত্র তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। এমনকি তার সোনার হাড় এবং টাকা পয়সাও উধাও। সেই চোর কেও খুঁজে পাওয়া যায়।


চুরির পর জমিয়ে কচু শাক, চিংড়ি খেল চোর, কিন্তু কেন?

কিন্তু ওই চোর কে তার পাড়া প্রতিবেশী রা মারধর করতে চাইলেও তিনি বাধা দেন। তিনি বলেন ‘আমি চাই আমার যা ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণ করুক এই যুবকের বাড়ির লোক।’ এরপর ওই চোরকে মাছের ঝোল, কচুর শাক, ডাল, লাউ চিংড়ি দিয়ে খেতেও দেন ওই মহিলা। এরপর খাওয়ানোর পর চোরকে একটি ছোট ঘরে আটকে রাখেন এবং বলেন যতক্ষণ পর্যন্ত না তার বাড়ির লোক এসে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে ততক্ষণ তাঁকে ছাড়া হবে না।







