নজরবন্দি ব্যুরোঃ লোকাল ট্রেন বন্ধ নিয়ে ধুন্ধুমার, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের চেন ভাঙার জন্যই রাজ্য জুড়ে কড়া বিধি নিষেধ চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়াকড়ির এক মাস পরে ব্যাবসা এবং একাধিক কারণের দিকে দিকপাত করে একাধিক বিষয়ে নিয়ম মেনে ছাড় দিয়েছে রাজ্য, একে একে খুলছে অফিস-দোকান পাট।
আরও পড়ুনঃ শুনানি চলছে নন্দীগ্রাম মামলার, ভার্চুয়ালি যোগ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
কিন্তু রাজ্য জুড়ে বন্ধ গণপরিবহন। ট্রেন চললেও তা স্টাফ স্পেশ্যাল। ফলে যাতায়ে প্রবল কষ্টের মুখে পড়ছে দৈনিক যাত্রীরা। আজই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবীতে বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে সোনারপুর-মল্লিকপুর সহ একাধিক স্টেশনে। মল্লিকপুর স্টেশনে বিক্ষোভ-পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে যখম হন পুলিশের কর্তারা, যখম হন রেলের আধিকারীকরাও। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ স্টাফ ট্রেন ছাড়াও ট্রেন চালানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পূরণ হয়নি তা।
তাঁদের মূল দাবী এই কঠিন পরিস্থিতিতে দিনে দিনে ভাঙছে আর্থিক কাঠামো, টান পড়ছে রুজি-রুটিতে। এদিকে একে একে অফিস কাছারি খুলে দিচ্ছে, কিন্তু প্রত্যহ নিজের গাড়িতে করে দূরের অফিসে যাওয়ার সামর্থ্য নেই মধ্যবিত্তের। একমাত্র ভরসা রেলপথ বা বাস। সেসব বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।
দিন দিনের বিক্ষভে চিনবতার ভাঁজ রেলের কর্তা ব্যাক্তিদের কপালে। তাঁদের সাফ বক্তব্য হাওড়া, আসানসোল, মালদা কোথাও সমস্যা নেই। একমাত্র সমস্যা হচ্ছে শিয়ালদহ ডিভিশনেই। দিনে দিনে যে হারে যাত্রী বাড়ছে তাতে স্পেশ্যাল ট্রেন দিয়ে সামাল দেওয়া আর সম্ভব হয়ে উঠছে না। উলটে রোজের বিক্ষোভ আন্দোলনে আহত হচ্ছেন রেল কর্মীরাই।
লোকাল ট্রেন বন্ধ নিয়ে ধুন্ধুমার, রাজ্যে গত সোমাবার থেকে বেশ কিছু ইন্টারসিটি পরিষেবা চালু হলেও এখনো লোকাল ট্রেন বা বাস চালু করার কোন ভাবনার কথা জানায়নি রাজ্য। সূত্রের খবর পরিস্থিতি বিচার করে ফের রাজ্যের কাছে দরবার করতে চলেছে রেল। এমনিতেও করোনার দুই ঢেউয়ে মিলিয়ে দীর্ঘদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় বড়ো অঙ্কের ক্ষতির মুখেও পড়েছে রেল।



