নজরবন্দি ব্যুরো: সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব দিলেন, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। ক্ষমতা দখলের লড়াইতে ওলি ও প্রচন্ডের বিবাদ ক্রমশই চড়েছিল। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠকে জানান, তাঁর সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। অতএব তা ভেঙে দেওয়া হোক। এছাড়াও এই আন্দোলনে স্থির করা হয়েছে,সেই প্রস্তাব প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারির কাছে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুনঃ আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু ৩৩ জনের! আজ ‘শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস’ পালন কৃষকদের
ইতিমধ্যেই তা পৌঁছে গেছে। নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির অভ্যন্তরীণ বিবাদ তুঙ্গে উঠেছিল। প্রচন্ড গোষ্ঠীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ওলির গোষ্ঠীর বিবাদকে কেন্দ্র করেই এই পরণতি বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়ে এদিন ক্ষমতাসীন এনসিপির সিনিয়র নেতা ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার নেপাল এই পদক্ষেপকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে অভিহিত করেছেন।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তাই সরকার ভেঙে দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। করেনার কারণে নেপালের অর্থনৈতিক সংক্রান্ত বেশকিছু ইস্যুতে সমস্যা দেখা যাচ্ছে। শেষ সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব তুললেন ওলি। তবে নেপাল সংবিধান বিষেশজ্ঞদের মতে, সরকার ভেঙে দেওয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব অসাংবিধানিক। নেপাল সংবিধান অনুসারে সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার প্রদানমন্ত্রী ভেঙে দিতে পারে না।



