নজরবন্দি ব্যুরোঃ টেট দুর্নীতি, হাইকোর্টে ৬ টি মামলা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। গত ২৩ ডিসেম্বর পর্ষদ ১৬ হাজার ৫০০টি শূন্য পদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এরপর পরীক্ষা হয় দ্রুততার সাথে। দ্রুুততার সাথে কদিন মেধাতালিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই নিয়োগেই স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে, সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই স্থগিতাদেশ কে চ্যালেঞ্জ করে এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হচ্ছে পর্ষদ।
আরও পড়ুনঃ বাংলায় তীব্র জলসংকট খুঁজে পেয়ে, হুগলীকে জগন্নাথদেবের জেলা ঘোষণা মোদির!
সোমবার প্রকাশিত মেধা তালিকায় রয়েছেন ১৫ হাজার ২৮৪ জন। অভিযোগ, প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের জন্য সদ্য প্রকাশিত মেধা তালিকা ত্রুটিপূর্ণ। এর পিছনে বড় মাপের দুর্নীতি রয়েছে বলে অভিযোগ। তা নিয়েই মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মোট ৬ টি মামলা হয়েছে প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে। ৫টি মামলা লড়ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এবং একটি মামলা লড়ছেন, পার্থ ভট্টাচার্য।
টেট দুর্নীতি মামলার আজ দুপুরে শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে। বিচারপতি মামলা শুনে আপাতত ৪ সপ্তাহের জন্যে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন নিয়োগে। পরবর্তী শুনানি হবে ৪ সপ্তাহ পর। প্রসঙ্গত চাকরি প্রার্থীদের একাংশ অভিযোগ করে এই নিয়োগের পেছনে রয়েছে চরম দূর্নীতি। ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ।
অন্যদিকে স্থগিতাদেশের নির্দেশ পেয়েই ডিভিশন বেঞ্চে অ্যাপিল করেছে রাজ্য সরকার তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এখন দেখার ডিভিশন বেঞ্চ কি বলে টেট দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে। সর্বোপরি হয়েও হইলনা শেষের মত অবস্থা রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের। কোর্টের চক্কর কাটতে কাটতেই বয়ে যাচ্ছে বয়সের বেলা।



