১৫ হাজার শূণ্যপদে নিয়োগ। টেট পরীক্ষা হবে নভেম্বর মাসে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১৫ হাজার শূণ্যপদে নিয়োগ। টেট পরীক্ষা হবে নভেম্বর মাসে। অবশেষে স্বস্তি। ১৫ হাজার শূণ্যপদের জন্য নিয়োগ করার উদ্যোগ নিল নবান্ন। ২০১৭ সালে টেট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও পরীক্ষা হয়নি। ২০১৭ সাথে টেটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পর আবেদন করেন লক্ষাধিক চাকরিপ্রার্থী। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক ভাবে নিয়োগ তো দূরের কথা পরীক্ষাই হয়নি। এবার পুনরায় টেটের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুনঃ ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে জারি হচ্ছে কড়া নিয়ম, জানিয়ে দিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ

Shamim Ahamed Ads

১৫ হাজার শূণ্যপদে নিয়োগ। নবান্ন সূত্রে খবর আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই টেট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। রাজ্যে প্রায় ১৫ হাজার শূণ্যপদ রয়েছে। সেই পদ গুলিতে শিক্ষক নিয়োগের জন্যেই টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। সূত্রের খবর ২০১৭ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর যারা আবেদন করেছিলেন তাদের আর নতুন করে আবেদন করার দরকার নেই। যারা ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত আবেদন করেননি তাঁদের আবেদন করতে হবে। তবে একসাথে পরীক্ষায় বসতে পারবেন সবাই। নবান্ন সূত্রে খবর ২০২১ এপ্রিলের মধ্যেই হয়ে যাবে নিয়োগ। পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে চলতি বছরের নভেম্বর মাসে।

একাধিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে মামলার জটে। তাঁর মধ্যেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারন শেষবার টেটে নিয়োগ হয়েছিল ২০১৬ সালে। আর পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৫ সালে। অন্যদিকে টেটের পাশাপাশি পিএসসি ক্লার্কশীপের ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়া হবে চলতি মাসেই বলে জানিয়েছে সূত্র। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর এই পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে রেকর্ড সংখ্যক পরিক্ষার্থী পাশ করায় নিয়োগ হতে পারে বিপুল সংখ্যায়।

যদিও পিএসসি সূত্র জানিয়েছে কতজন কে নিয়োগ করবে সরকার তা তাঁদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। কমিশন সূত্রে খবর, একাধিক পরীক্ষার্থী প্রাথমিক পরীক্ষায় একই নম্বর পেয়েছেন, তাই সফল পরিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে এইবার। তাঁদের কাজ প্রার্থী বাছাই করে দেওয়া। তবে জানা গিয়েছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে এই মুহুর্তে ৬ হাজারের বেশি শূণ্যপদ রয়েছে। এই ছ হাজার পদে চলতি বছরেই নিয়োগ করতে চায় সরকার।

প্রসঙ্গত, ক্লার্কশিপের প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছিল চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। ১০০ নম্বরের মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন ছিল অঙ্ক, ইংরেজি আর জেনারেল নলেজের উপর। পিএসসি সূত্রে খবর, সাধারণ বা অসংরক্ষিত পরীক্ষার্থীরা ন্যূনতম ৬৫ নম্বর পেয়ে প্রাথমিক পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। তফসিলি জাতি ও উপজাতি পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সফল হওয়ার ন্যূনতম নম্বর ছিল যথাক্রমে ৪৮.৬৭ এবং ২৯.৬৭। ওবিসি-এ এবং বি শ্রেণীর জন্য ছিল যথাক্রমে ৪৩ ও ৫৬.৩৩। পরীক্ষা দিয়েছিলেন প্রায় ৬ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী। যার মধ্যে সফল হয়েছেন, ৬৬ হাজার ৪৯২ জন ।

উল্লেখ্য আগামী ২৭শে সেপ্টেম্বর যদি চূড়ান্ত পরীক্ষা হলে পরীক্ষার্থীদের ইংরেজি, বাংলা, হিন্দি, নেপালি, উর্দু এবং সাঁওতালির মধ্যে যে কোনও একটি ভাষার উপর ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এরপর লিখিত পরীক্ষায় সফলদের কম্পিউটারে এক মিনিটে বাংলা ও ইংরেজিতে টাইপিং স্পিডের পরীক্ষাও দিতে হবে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত