শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলে সমাজে ‘একঘরে’ হয়েছেন প্রয়াত অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ তাপস পালের (Tapas Paul) পরিবার! এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পাল এবং কন্যা সোহিনী পাল। বাড়িতে পুলিশ ডেকে অভিযোগও দায়ের করলেন তাঁরা। জানালেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, বারবার বলা সত্ত্বেও সাহায্য আসছে না সরকার পক্ষ থেকে। ব্যাপারটা ঠিক কী?
আরও পড়ুন: ২২এ মিছিল করতে হলে নিতে হবে পুলিশের অনুমতি, সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক বৈঠকে


গত বছর ডিসেম্বর মাসে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন তাপস পালের (Tapas Paul) স্ত্রী নন্দিনী পাল এবং কন্যা সোহিনী পাল। অভিযোগ ছিল, অভিনেতার মৃত্যুর পর থেকে তাঁরা কোনও রকম সাহায্য পাচ্ছেন না সরকারের পক্ষ থেকে। এই ঘটনার এক মাস যেতে না যেতেই আবারও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন তাপস পালের (Tapas Paul) পরিবার। ঠিক কী কী অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের?

এদিন এক প্রথম সারির বাংলা সংবাদমাধ্যমকে নন্দিনী পাল জানিয়েছেন, “কাজের লোক আসছে না। অসহযোগিতা করা হচ্ছে আমাদের সঙ্গে, দুর্ব্যবহারের শিকার হচ্ছি। তাপস (Tapas Paul) একটা সময় যাঁদের জন্য কাজ করে গিয়েছে, তাঁরাই এসব করছেন। শাসকের ইন্ধন ছাড়া কে আর এই কাজ করবে? ওঁদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছি না তাই। এক মন্ত্রীকে ফোন করেছিলাম অভিযোগ জানানোর জন্য। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। আমি আর মেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। মনে হচ্ছে, ব্রিটিশ আমল, বাম আমলও এর চেয়ে ভালো ছিল।”



তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ‘একঘরে’! বাড়িতে পুলিশ ডেকে অভিযোগ তাপস পালের স্ত্রী-কন্যার
সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “এক মন্ত্রী সবসময় বলতেন তিনি আমাদের পাশে আছেন। তাঁকেও অনেকবার ফোন করেছি, তিনি ফোন ধরেননি। আসলে সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি এনেছি তা স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের পছন্দ হয়নি। একমাত্র কুণাল ঘোষ ফোন ধরেছেন। তাঁকে জানিয়েছি অসুবিধার কথা। এখনও কিছুই সুরাহা হয়নি।”

২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত আলিপুর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হিসাবে দায়িত্ব সামলিয়েছেন তাপস পাল (Tapas Paul)। এরপর ২০০৯ সালে কৃষ্ণনগর থেকে ঘাসফুল প্রতীকে লোকসভা ভোট জিতে সাংসদ হন তিনি। ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হন তাপস পাল।







