চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বুমরার অনুপস্থিতি একটি বড় শূন্যতা সৃষ্টি করবে, তবে মহম্মদ শামির নেতৃত্বে ভারতের পেস আক্রমণ এখনও শক্তিশালী থাকতে পারে। দলের জন্য এই চ্যালেঞ্জ সামলাতে তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করতে হবে।
হার্দিক পাণ্ডিয়ার চোটের সময়ও তারা অপেক্ষা করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে দলে নিয়েছিল। বুমরাহের ক্ষেত্রে তারা পুরোপুরি নিশ্চিন্ত থাকতে চায়, যাতে ফিট হওয়ার পর তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
ইংল্যান্ডের প্রথম ৭৫ রান জুটিতে পরও ম্যাচে ফিরে আসতে পারেনি। তবে তাদের বোলাররা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছিল। টিম ইন্ডিয়া অবশ্য শুরু থেকেই শক্তিশালী পারফরম্যান্স করেছে।
তবে তার পিঠের চোট নিয়ে অবস্থা এখনও অনিশ্চিত। ভারতের জন্য পরিস্থিতি এখন খুবই চাপপূর্ণ, কারণ তারা বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বোলারের অনুপস্থিতিতে নিজেদের শক্তি এবং কৌশল নতুন করে সাজাতে হবে।
শুধু আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা নয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করতে হবে এবং বুদ্ধি ব্যবহার করেই ম্যাচ জয় সম্ভব। তিলক বর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দর, রবি বিশ্নোই সহ অন্যান্য ক্রিকেটারের কার্যকর ভূমিকা ভারতের এই জয়কে নিশ্চিত করেছে।
ডোপিং রোধে নাডার এই পদক্ষেপ শুধু খেলাধুলার ন্যায্যতা নিশ্চিত করে না, বরং খেলোয়াড়দের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। ক্রিকেটারদের সততা এবং নাডার নির্দেশ মেনে চলা খেলাধুলার প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা প্রকাশ করে।
কোহলির ফের নেতৃত্বে ফেরা কিংবা বুমরাকে ক্যাপ্টেন করার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বুমরার সুস্থতা এবং উইকেট নেওয়ার দক্ষতার দিকেই নজর দেওয়া উচিত বিসিসিআই-এর।