নজরবন্দি ব্যুরো: গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার আগে শুভেন্দু বিভিন্ন অরাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়েছিলেন। এদিকে তাঁর এই জনসভাগুলির আগে জনসংযোগ চালিয়ে যাওয়ার মাঝেই তাঁর অনুগামী নেতা-কর্মীরা ‘দাদার অনুগামী’ পরিচয়ে হাজির থাকতেন সেই সব কর্মসূচিতে। এবার তাঁরাই আক্রান্ত হলেন। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে।
আরও পড়ুন: BJP-র আশ্রয় না পেলে উঠে যেত তৃণমূল, ভাইপো তোলাবাজ! হুঙ্কার শুভেন্দুর


এবার শুভেন্দু অধিকারী সহায়তা কেন্দ্রে ভাঙচুর ও ‘দাদার অনুগামী’দের মারধরের অভিযোগ উঠল নারায়ণগড়ে।
যদিও জেলা নেতৃত্ব এই গোষ্ঠীকোন্দলের তত্ত্ব মানতে নারাজ। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল ইচ্ছে করে গোলমাল বাধাচ্ছে। বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টার করছে। এদিকে পাল্টা তোপ দেগেছে তৃণমূল শিবির। তাঁদের বক্তব্য, অন্যের ঘর ভাঙিয়ে শক্তি বাড়াতে গেলে পুরনো কর্মীরা তো প্রতিবাদ করবেই। বিজেপির ক্ষেত্রেও তেমনটাই হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ ডিসেম্বর নারায়ণগড়ের মকরামপুরে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামীরা ‘দাদা’র নামে একটি সহায়তা কেন্দ্র খোলেন। অভিযোগ, সোমবার রাতে সেখানেই ভাঙচুর চালানো হয়। পাশাপাশি মারধরও করা হয় এক অনুগামীকে।


এ বিষয়ে এলাকায় দাদার অনুগামী সন্দীপ মেটিয়া বলেন, “দাদা যেহেতু বিজেপিতে যোগদান করেছেন তাই আমরা তাঁর অনুগামী হয়ে সহায়তা কেন্দ্রে বিজেপির পতাকা লাগাচ্ছিলাম। তখনই বিজেপির কয়েকজন এসে নানা প্রশ্ন করে। কথা কাটাকাটির পরে মারধর করা হয়। শুভেন্দু অধিকারীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলে দেয় ওরা। লণ্ডভণ্ড করা হয় অফিস।”
অভিযোগ, একদল ছেলে এসে তাঁদের কাছে জানতে চায় বিজেপির কোন পদে তাঁরা আছেন, কবেই বা তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন। এরপরই কোনও কথা না শুনেই সহায়তা কেন্দ্রে ঢুকে চেয়ার উল্টে ফেলে দেওয়া হয়। সেখানে রাখা শুভেন্দু অধিকারীর ফ্লেক্স, প্রয়োজনীয় কাগজও ছিঁড়ে ফেলেন অভিযুক্তরা। তাঁরা বিজেপির পুরনো কর্মী বলেই দাবি সন্দীপের।
শুভেন্দুর গড়ে মার খেলেন ‘দাদার অনুগামীরা’, সন্দীপ আরও বলেন, “দাদা বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আমরা দাদার অনুগামী। তার মানে আমরাও বিজেপি। তাই তো সহায়তা কেন্দ্রে বিজেপির পতাকা লাগাচ্ছিলাম”। দাদার এই অনুগামীর দাবি, নারায়ণগড় থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন তাঁরা।







