নজরবন্দি ব্যুরো: ফের একবার ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাককে টেন্ডার পাইয়ে দেবার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানায় আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বললেন, ‘এটা প্রমাণিত চুরি। আইপ্যাককে সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে। ১৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। পলিসি ম্যাটার অর্থাৎ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন দরকার। তিনি সেটা দিয়েছেন। তাই, এই দুর্নীতিতে তিনিও যুক্ত’।
আরও পড়ুন: আমার দলেও একজন বিধায়ক রয়েছেন যিনি গুন্ডামি করেন, নাম না করে হুমায়ুনকে সতর্ক করলেন মমতা
এদিন মূলত শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভান্স সেলকে কটাক্ষ করেন। শুক্রবার আইপ্যাককে বেআইনিভাবে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়েছে এই মর্মে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠিও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর কথায়, ‘দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যপালকে অনুরোধ করেছি কড়া ব্যবস্থা নেবার জন্য। পরিকাঠামো তৈরিরি জন্য তথ্যপ্রযুক্তি দফতরকে টেন্ডার দেওয়া হয়। কয়েকটি সংস্থা এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। দিল্লির একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ওই সংস্থার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সও করে ফেলেন তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিকরা। সমান্তরালভাবে সরকার চালাচ্ছে আইপ্যাক’।

শুভেন্দু আরও বলেন, ‘আইপ্যাকের পছন্দের সংস্থাকে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। ওয়েবেলের থেকে নিয়ে ডব্লুটিএলকে টেন্ডার দিয়েছে। ১৫২ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। আইপ্যাককে এই টাকা পাইয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পলিসি ম্যাটার অর্থাৎ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন দরকার। তিনি সেটা দিয়েছেন। তাই, এই দুর্নীতিতে তিনিও যুক্ত’।

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় নন্দীগ্রামে তাঁকে লোডশেডিং করে হারিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ ফের উত্থাপন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারিরি নেতৃত্বে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন বিজেপি বিধায়করা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীকে ‘উদভ্রান্ত’ বলে কটাক্ষও করেন। আর আজ ফের একবার আইপ্যাকের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করলেন শুভেন্দু।
১৫০ কোটির দুর্নীতিতে যুক্ত মমতা? শুভেন্দুর মুখে ফের আইপ্যাক টেন্ডারের প্রসঙ্গ




