নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুভেন্দু দলে থাকলেন কি না, সেই নিয়ে দিদির কোনো মাথা বেথা নেই, একুশে দিদি-ই আমাদের সাথে থাকছেন, মন্তব্য তৃণমূল নেত্রী সোমা মুখার্জির। রাজ্য জুড়ে চলছে নির্বাচনের প্রস্তুতি। চলছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত প্রকল্প গুলির প্রচারও। এর মধ্যেই পাল্লা দিয়ে চলছে দলবদলের পালা। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এসে দল ছাড়ছেন রাজ্য সরকারের একাধিক নেতা মন্ত্রীরা।
আরও পড়ুনঃ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তাই সরকার ভেঙে দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।
ফলতঃ রাজ্য রাজনীতিতে বাড়ছে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তৃণমূলের শক্তিক্ষয় হচ্ছে প্রতি নিয়ত। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান করে সম্প্রতি দল ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন শুভেন্দু। পাশাপাশি আসানসোলের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারির তৃণমূল ছাড়ার পরও আবারও ফিরে এসেছেন মমতার দলেই। শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য জায়গার নেতৃত্বদের দল থেকে বেড়িয়ে যাওয়া এবং জিতেন্দ্র তিওয়ারি দল থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার পর আবার ফিরে আসাকে কি ভাবে দেখছেন দলে অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকেরা।
শুভেন্দু দলে থাকলেন কি না, সেই নিয়ে দিদির কোনো মাথা বেথা নেই, এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সোমা মুখার্জি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী দলে থাকলেন কি না তা নিয়ে দিদির কিছুই যায় আসে না। তৃণমূল দলটা হিমালয়ের মত। প্রতিদিন বরফ গলার পরেও যেমন হিমালয় ছোট হয়ে যায়না, তেমনি কেউ না থাকলে আমাদের দল ছোট হয়ে যাবে না। জিতেন্দ্র তিওয়ারির প্রসংগে তিনি বলেন, তিনি হওতো নিজের ভূল বুঝতে পেরেছেন। সেই কারণেই আবার দলে ফিরে এসেছেন।
উনি আরোও বলেন, যারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন তারা শুধু মাত্র সারদা নারদা মামলা থেকে বাচার জন্যই এই কাজ করছেন। তিনি বলেন, বিহার নির্বাচনে বিজেপির ফলাফল ভালো হওয়ার একমাত্র কারণ ইভিএম-এ ভোট হওয়া। ব্যালট পেপারে নির্বাচন হলে গেরুয়া শিবির কখনই বঙ্গে জায়গায় করতেপারবে না বলেই দাবি সোমা মুখার্জির।



