নজরবন্দি ব্যুরোঃ CPIM রাজ্য কমিটি থেকে বাদ সূর্যকান্ত মিশ্র, রবীন দেব। আলিমুদ্দিন দলের সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ার ফলেই এই সিদ্ধান্ত। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির পথ অনুসরণ করে রাজ্য ও এরিয়া কমিটির সদস্যদের বয়সসীমা বেঁধে দেয় রাজ্য সিপিআইএম। রাজ্য কমিটির পক্ষ থেকে রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র ঘোষনা করেন, রাজ্য কমিটির সদস্যদের বয়সসীমা ৭২ ও এরিয়া কমিটির সদস্যদের বয়স সর্বোচ্চ ৬৫ বছরে বেঁধে দেওয়া হয়েছে এবার থেকে।
আরও পড়ুনঃ লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভাঙল পুলিশ, গ্রেফতার বিজেপি নেতা সজল ঘোষ!
যদিও বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে তোলপাড় হয় বলে খবর সূত্রের। অনেকেই এই প্রস্তাব মানতে চাননি। অনেক নেতার মতে মাত্র ৭০ বছর বয়েসে পার্টি থেকে অবসর নিলে দলের মধ্যে তরুণ দের আধিক্য বেড়ে যাবে। যা প্রবীণ এবং নবীন দের মধ্যে ভারসাম্যহীনতার কারন হয়ে দাঁড়াবে। যদিও সেই নেতাদের কথায় আমল দেয়নি পার্টি শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই পেতে চলেছেন বাংলার তরুণ নেতা-নেত্রীরা। সৃজন ভট্টাচার্য, ময়ূখ বিশ্বাস, সায়নদীপ মিত্র, মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায় ও প্রতীকুর রহমানের নাম নিয়ে চলছে ভাবনাচিন্তা।
CPIM রাজ্য কমিটি থেকে বাদ সূর্যকান্ত, রবীন। কেন্দ্রীয় কমিটিকে স্থান মীনাক্ষি-সৃজনদের

CPIM রাজ্য কমিটি থেকে বাদ সূর্যকান্ত মিশ্র, রবীন দেব কারন দুজনের বয়স ৭২ এর কোটা পেরিয়েছে কয়েকদিন আগেই। এদিনের বৈঠকে পার্টির সাধারন সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি পশ্চিমবঙ্গে দলের শোচনীয় দশা নিয়ে তুলোধনা করেন রাজ্য নেতৃত্ব কে। বিজেমূল তত্ত্ব সহ আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) সঙ্গে জোট মানুষ ঠিক ভাবে নেয়নি বলেও মনে করছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সিতারামের তোপের মুখে রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র স্বীকার করে নিয়েছেন ‘বিজেমূল’ শব্দ ব্যবহার ভুল হয়েছে।
আব্বাসের আইএসএফ ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ নীতির কথা বললেও তারা ‘মুসলিম সংগঠন’ হিসেবে পরিচিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। তাই ভোটাররা সেই জোটকে গ্রহণ করেননি। এই জোট কোনও ‘স্থায়ী সমাধান’ হতে পারে না বলেও রিপোর্টে উল্লেখকরা হয়েছে। সুতরাং ভবিষ্যতে আব্বাসের দলের সাথে জোট ভাঙছে তাঁর স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে বৈঠকে।



