নজরবন্দি ব্যুরোঃ লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভাঙল পুলিশ, গ্রেফতার করা হল বিজেপি নেতা সজল ঘোষ কে! কিন্তু কেন? পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় এক তৃণমূল যুবনেতার স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি করে বিজেপি নেতা সজল ঘোষের অনুগামীরা। এই কাণ্ড ঘিরে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুচিপাড়া এলাকা। যুবনেতার স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মুচিপাড়ার একটি ক্লাব ভাঙচুর চালায় তৃনমূল সমর্থকরা। অভিযোগ ওঠে ওই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।
আর পড়ুনঃ ফের BJP-র জয়-জয়কার, ‘পাকা দেখা আর বিয়ের মধ্যে ফারাক আছে’ বোঝালেন মুকুল!
বিজেপি নেতা সজল ঘোষের ইন্ধনেই অই ক্লাবের ছেলেরা তৃণমূল যুবনেতার স্ত্রীর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সজল ঘোষ হলেন কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রদীপ ঘোষের ছেলে এবং সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার দুর্গাপুজোর অন্যতম প্রধান কর্তা। অভিযোগ কলকাতা পুরসভার ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের যুব তৃণমূল সভাপতির স্ত্রী ওষুধ কিনে ফেরার সময় মদ্যপ অবস্থায় দুই বিজেপি কর্মী তাঁর শ্লীলতাহানি করে। তারপরেই উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।
লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভাঙল পুলিশ

রাত পেরিয়ে সকাল হলেও থামেনি সংঘর্ষ। পুলিশ সূত্রে খবর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দু’টি এফআইআর করা হয়েছে যাতে নাম রয়েছে বিজেপি নেতা সজল ঘোষের। আজ বিকেলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সজলের বাড়িতে যায় পুলিশ। তাঁকে একাধিকবার বাড়ির বাইরে বেরতে বললেও তিনি বাইরে আসেননি। তখনই লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভাঙল পুলিশ! এরপর গ্রেফতার করে হাঁটিয়েই থানায় নিয়ে আসা হয় বিজেপি নেতাকে৷
সজল ঘোষের পাল্টা দাবি, ক্লাব ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি অভিযোগ জানাতে মুচিপাড়া থানায় গেলেও অভিযোগ নেয়নি পুলিশ৷। উল্টে তাঁকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য সজল ঘোষ আগে তৃণমূল করতেন। তবে বেশ কিছুদিন আগে তিনি বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। তাঁর বাবা প্রদীপ ঘোষ আগে কংগ্রেসের কাউন্সিলার ছিলেন, পরে তৃনমূলে যোগ দেন। যদিও এখন রাজনীতি করেন না প্রদীপ বাবু।



