নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলার বিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার নয়, শুক্রবার এই মর্মে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অর্জুন সিং– সহ পাঁচ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলেও তাঁদের আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না বলে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুনঃ ‘আমাকেও মুখ্যমন্ত্রী বানাবে বলেছিল!’ ডিজিটাল উপহাসে বিদ্ধ মুকুল-শুভেন্দু!
বিজেপি নেতাদের অভি্যোগ রাজ্য সরকারের পুলিশ মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাঁদের হেনস্তা করে। এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেনন। সেই মামলার শুনানিতে শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, অর্জুন সিং-সহ মোট পাঁচ জনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার বা পুলিশ কোনও রকম কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে না। অরবিন্দ মেনন সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিলেন এই নেতাদের বিরুদ্ধে বাংলার বিভিন্ন থানায় ১১৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেছে, পুলিশ চাইলে তদন্তের জন্য বড়জোর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কিন্তু কোনও কঠোর পদক্ষেপ অর্থাৎ গ্রেফতার করা যাবে না।
বাংলার বিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার, সুপ্রিম কোর্টের আবেদনে তাঁরা বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্য যে ফৌজদারী মামলাগুলি করেছে, সেগুলির তদন্ত প্রক্রিয়া রাজ্যের বাইরে স্থানান্তরিত করা হোক। আর তা না হলে তদন্ত প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত করার ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্ট যাতে হস্তক্ষেপ করে। বিজেপি নেতাদের দাবি, এইধরণের মামলাগুলি তদন্ত প্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ দলত্যাগী শুভেন্দুকে এবার বিশ্বাসঘাতক তকমা দিলেন নন্দিগ্রামের ‘শহিদ’ পরিবার।
বাংলার বিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। শীর্ষ আদালত তাঁদের আবেদনকে মান্যতা দিয়ে সাফ জানিয়েছে, মামলার পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত এই বিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না। তাঁদের গ্রেপ্তারির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক সত্যব্রত বিশ্বাসকে খুনের ঘটনায় দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছে সিআইডি৷ সেই চার্জশিটে তৃণমূল বিধায়কের হত্যাকাণ্ডে অন্যতম মূল অভিযুক্ত হিসেবে মুকুল রায়ের নাম রাখা হয়েছে৷ মুকুল এই নিয়ে প্রথম থেকেই সরব ছিলেন।



