নজরবন্দি ব্যুরোঃ বঙ্গ বিজেপির ডাকে সাড়া দিয়ে শিলিগুড়িতে চা-শ্রমিক সমাবেশে যোগ দিলেন গেরুয়া সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। এদিন তাঁকে অভ্যর্থনা জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রবিবার সকালে শিলিগুড়ির তেনজিং নোরগে বাসস্ট্যান্ডে স্বচ্ছতা অভিযানেও অংশ নিলেন বালুরঘাটের সাংসদ। স্মৃতি ইরানিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির সাংসদ রাজু বিস্তা সহ সংশ্লিষ্ট জেলার একাধিক গেরুয়া নেতাকর্মী।
আরও পড়ুনঃ ট্রেনের পর এবার বাতিল বিমান! মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ তৃণমূলের


আজ শিলিগুড়ির দাগাপুর ফুটবল মাঠে বিজেপির ট্রেড ইউনিয়ন রিলেশন সেলের তরফে চা-শ্রমিক সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। সেখানেই আমন্ত্রিত ছিলেন স্মৃতি ইরানি। সমাবেশ শুরুর আগে তেনজিং নোরগে বাসস্ট্যান্ডে স্বচ্ছতা অভিযানে অংশ নেন সুকান্ত মজুমদার। এরপর চলে চা পান। সকাল ১১টা নাগাদ শুরু হয় সমাবেশ।

সমাবেশে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “চা শ্রমিকদের ওপর অনেক অত্যাচার হচ্ছে। সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে তাঁদের বঞ্চিত করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু আর তা হতে দেওয়া চলবে না। এবার থেকে বিজেপি চা-শ্রমিকদের রক্ষা করবে। তৃণমূলের দালালি চলবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা মেরে দিচ্ছে তৃণমূল নেতারা। এখনও পর্যন্ত ৭৮টা FIR দায়ের হয়েছে। এবার থেকে শ্রমিকরা ঠিক মতো টাকা না পেলে বিজেপি আন্দোলন চালাবে।”



সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “চা বাগানের জমি চা শ্রমিকদের হাতেই থাকবে। এখানে হোটেল বানানো যাবে না। ৪০ শতাংশ লোকের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। বাড়ি বানানোর যে টাকা কেন্দ্র সরকার দিয়েছে তা কাজে লাগানো হয়নি।” সুকান্ত মজুমদারের পর বক্তব্য রাখেন স্মৃতি ইরানি।
শিলিগুড়িতে চা-শ্রমিক সমাবেশে স্মৃতি ইরানি, ঝাড়ু হাতে স্বচ্ছতা অভিযানে হাত লাগালেন সুকান্ত
স্মৃতি বলেন, “যত দিন পর্যন্ত চা-শ্রমিকরা তাঁদের ন্যায্য পাওনা পাবে না ততদিন বিজেপি চুপ থাকবে না। তাঁদের সাথে অন্যায় হচ্ছে। আমি চা বাগানে গিয়ে দেখেছি, শ্রমিকদের পাট্টা দেওয়া হয়নি। এটা কেমন দুর্ভাগ্য! বাংলার মতো অন্যায় দেশের আর কোথাও হচ্ছে না। পাট্টা নেই, জমি নেই। বাড়ি বানিয়েও দেয়নি। চা বাগানের কর্মীদের হকের পাওনা পেলে বিজেপির আন্দোলন চলবে।”

স্মৃতি ইরানি সুকান্ত মজুমদারকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে চা-বাগানের মহিলাদের প্রসঙ্গে বলেন, “চা-বাগানের মেয়েদের ধর্ষণ হচ্ছে। এদিকে আবার এরা দিল্লিতে যাচ্ছে। আবার কাটমানি খাবে বলে। এর এমন ঘটনা ঘটেছে যখন দিল্লিতে যায়নি তৃণমূল। আর এখন কেন্দ্রের টাকা চাইতে যাচ্ছ! যাতে আবার নিজেদের পকেট ভরানো যায়। জিটিএ ভোটেও বেনিয়ম হয়েছে।”









