নজরবন্দি ব্যুরো: ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসে উত্তর কলকাতার বিজেপির প্রদেশ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা, সংগঠন মন্ত্রী অমিতাভ চক্রবর্তী ছাড়াও আরও অনেক প্রথম সারির গেরুয়া নেতানেত্রীরা। পতাকা উত্তোলনের পর সুকান্ত মজুমদার জানান, ‘মোদীযুগে’ বাস করতে পেরে আমরা ধন্য।
আরও পড়ুন: লালকেল্লা থেকে ২৪ এর নির্বাচনের সুর বেঁধে দিলেন মোদী, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী
পতাকা উত্তোলনের পর সমবেত ভাবে সমস্ত বিজেপি নেতারা জাতীয় সংগীতে গলা মেলান। এরপর স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভারতবর্ষ এক নতুন অধ্যায়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ৫০ বছর পর ইতিহাসে এই সময়টা লেখা থাকবে ‘মোদীযুগ’ বলে। আমরা প্রত্যেকে সৌভাগ্যবান যে আমরা ‘মোদীযুগ’-এ বাস করছি। এই রকম একজন যশস্বী প্রধানমন্ত্রী পেয়ে আমরা গর্বিত। ২০৪৭ সালের মধ্যে মোদীজির নেতৃত্বে আমরা ভারতবর্ষকে উন্নতশীল থেকে উন্নততর দেশে পরিণত করব। এখন অন্যান্য সব দেশের রাষ্ট্রনায়করা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান করেন, যেটা আগে ছিল না”। পাশাপাশি, রাজ্যের বর্তমান অবস্থা প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায়, “দেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ সব ক্ষেত্রেই পিছিয়ে রয়েছে। রাজ্যে নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে প্রতিনিয়ত”।

যাদবপুর ছাত্রমৃত্যু প্রসঙ্গেও এদিন বয়ান দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর মতে, বামপন্থী রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপেই এই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। যদিও স্বাধীনতা দিবসে সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্যের বেশীরভাগটা জুড়েই ছিল প্রধানমন্ত্রী বন্দনা। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যেভাবে নরেন্দ্র মোদী অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন তা আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী নেয়নি বলেই দাবি করেন বালুরঘাটের সাংসদ।
উত্তর কলকাতার পাশাপাশি এদিন সুকান্ত মজুমদার আধাসামরিক বাহিনীর সঙ্গেও পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর যোগ দেন জোড়াসাঁকো বিধানসভার পদযাত্রায়। হুগলী সাংগঠনিক জেলাতেও স্বাধীনতা উদযাপনের পদযাত্রাতে অংশ নেন রাজ্য সভাপতি। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

‘মোদীযুগে’ বাস করতে পেরে আমরা ধন্য, স্বাধীনতা দিবসে বার্তা সুকান্তর




