জমি দুর্নীতি মামলায় বুধবার রাতে গ্রেফতার হয়েছেন ঝাড়খণ্ডের পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তাঁর বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। নতুন দায়িত্বে এসেছেন চম্পাই সোরেন। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঝাড়খণ্ডের প্রসঙ্গ টেনেই পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল ও দলের সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

আরও পড়ুন: মোদীর মন কি বাত থেকে দুপুরের জনসভা, রবিবার একাটানা কর্মসূচি সুকান্তর
বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Bengal BJP President Sukanta Majumdar)। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘যার বিরুদ্ধে ৬০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে তো জেলে যেতেই হবে। ঝাড়খণ্ড দিয়ে শুরু হল, এবার বাংলাতেও অপেক্ষা করতে থাকুন। এবার রানির জেলে যাওয়ার পালা।’ তাঁর দাবি, ‘রিপোর্ট থেকে যে সমস্ত তথ্য আমরা তুলে ধরেছি তা পরিষ্কার করে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকার কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত ও কতটা চোর।’ বঙ্গ বিজেপির সভাপতির পরামর্শ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিৎ হবে এখন থেকেই চম্পাই ব্যানার্জীকে খোঁজা শুরু করে দেওয়া। কারণ ওনাকে যদি গ্রেফতার হতে হয়, কাউকে তো একটা গ্রেফতার হতে হবে।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, কয়লা পাচার, গরু পাচার মামলায় জর্জরিত রাজ্যের শাসক দল। তৃণমূলের একাধিক নেতা মন্ত্রীর নাম জড়িয়েছে। বর্তমানে বেশ কয়েকজন দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দী। বিরোধী দলগুলি বিভিন্ন অভিযোগ এনেছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা।
ঝাড়খণ্ডের পর কি এবার বাংলা! মমতাকে ‘চম্পাই ব্যানার্জী’র খোঁজ শুরু করার পরামর্শ সুকান্তর

এদিন নদিয়ার শান্তিপুরে জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির নাম না করে চড়া সুরে তিনি বলেন, ‘আমরা চোর আর আপনারা সব সাধু? মানুষের টাকা লুট করে বড় বড় কথা! চোরের মায়ের বড় গলা। শূন্য কলসির আওয়াজ বেশি।’



